পাতা:চিঠিপত্র (ত্রয়োদশ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৯২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


**ौवनांcथब्र वृङ्काञ्च अदावशिष्ठ ब्रहे बरौठानां५ ॐांब cजार्छ। कछ। মাধুৰীলতা ও কনিষ্ঠ মীরাকে নিয়ে শিলাইদহে প্রায় চার মাস কাটিয়ে আসেন । পত্র ৪৮ । “আমাকে পাবনার শাস্তিপ্রিয় লোক কনফারেন্সের সভাপতি করিয়াছেন।” :) উল্লিখিত ‘কনফারেন্স’ বঙ্গীয় প্রাদেশিক সম্মিলনীর পাবনায় অনুষ্ঠিত ১৯০৮ ফেব্রুয়ারির অধিবেশন । এই সভায় রবীন্দ্রনাথ সভাপতিরূপে •তার ভাষণ বাংলায় দিয়েছিলেন ।* বঙ্গীয় প্রাদেশিক সম্মিলনীর কাজ যাতে বাংলাভাষায় সম্পন্ন হয়, তার জন্ত রবীন্দ্রনাথ আগে থেকেই চেষ্টা করে আসছিলেন । এ-সম্পর্কে তিনি লিখেছেন, “রাজসাহি সন্মিলনীতে নাটোরের পরলোকগত মহারাজা জগদিন্দ্রনাথের সঙ্গে চক্রান্ত করে সভায় বাংলাভাষা প্রবর্তন করবার প্রথম চেষ্টা যখন করি তখন উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় মহাশয় প্রভৃতি তৎসাময়িক রাষ্ট্রনেতারা আমার প্রতি একান্ত ক্রুদ্ধ হয়ে কঠোর বিদ্রুপ করেছিলেন।. পর বৎসরে রুগ্ন শরীর নিয়ে ঢাকা কনফারেলেও আমাকে এই চেষ্টায় প্রবৃত্ত হতে হয়েছিল।” পাবনায় অঙ্কুষ্ঠিত সম্মিলনীতে বুৰীন্দ্রনাথ দেশের প্রকৃত উন্নতির একমাত্র উপায় যে পল্লীর সার্বিক উন্নতি ৰিধান, সে কথা বিশেষভাবে ঘোষণা করেন, এবং পল্লী-উন্নয়ন বিষয়ে তার পরিকল্পনার কথা দেশবাসীর কাছে উপস্থাপিত করেন । সভাপতির অভিভাষণ' নামে পুস্তিকাকারে সভাস্থলে বিতরিত। পরে “বঙ্গদর্শন’ *द्धिकाग्न कांख्न ०ess न९णाॉब्र थकांविड । न्ब्रवडौंकांटल ‘नबूह' { २८ खूलाहे X è oby | अइङ्कङ | *. &Φθ