পাতা:চিঠিপত্র (ত্রয়োদশ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৯৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


লিপিবদ্ধ করিয়া রাখা । ১৪. জেলায় জেলায়, পল্লীতে পল্লীতে, গ্রামে গ্রামে. পরম্পরের মধ্যে সদভাব সংস্থাপন ও ঐক্য-সংবৰ্দ্ধন । ১৫. জেলা সমিতি, প্রাদেশিক সমিতি ও জাতীয় মহাসমিতির উদ্দেশ্বের ও কার্য্যের সহায়তা করা । অর্থের ব্যবস্থ: পল্লী-সমাজের কার্য্য স্বেচ্ছাদান ও ঈশ্বরবৃত্তি দ্বারা চলিবে । যাহাদের বিবাদ-বিসম্বাদ সালিসিতে মেটানো হইবে, তাহারা নিশ্চয়ই স্বেচ্ছাপূর্বক সমাজের মঙ্গলার্থ কিছু অর্থ-সাহায্য করিবেন । বিবাহাদি শুভকার্যে ও সকলেই স্বেচ্ছাপূর্বক এইরূপ বৃত্তি দিবেন । পল্লীবাসীমাত্রেই সপ্তাহে সপ্তাহে কি মাসে মাসে কিছু কিছু করিয়া সমাজের কার্য্য-নিৰ্ব্বাহের জন্ত যথাসাধ্য দান করিবেন । পল্লী-সমাজের অস্তগত সমস্ত হাট-বাজার হইতেও ঈশ্বরবৃত্তি সংগৃহীত হইতে পারিবে । প্রতি বৎসর গ্রামে গ্রামে বারোয়ারি পুজার নাচ-তামাসায় যে অৰ্থ বৃথা নষ্ট হয়, ঐ সমস্ত অপব্যয় সঙ্কোচ করিলে সেই অর্থ-দ্বারা পল্পী-সমাজের কার্য্যের বিশেষ সহায়তা হইতে পারে। পল্লীসমাজ কার্ঘ্যে প্রবৃত্ত হইলে অর্থের অভাব হইবে না।” অকুমান করা যেতে পারে, এই কর্মসূচীটিই রবীন্দ্রনাথ তার জমিদারিতে রূপায়িত করার প্রচেষ্টার কথা বর্তমান পত্রে আলোচনা করেছেন । বিরাহিমপুর পরগনাকে পাচটি মগুলে ভাগ করে বিভিন্ন মগুলে যে অধ্যক্ষগণকে রবীন্দ্রনাথ কর্মভার অর্পণ করেন, তারা— কালীমোহন ঘোষ, ভূপেশচন্দ্র রায়, অনঙ্গমোহন চক্রবর্তী, প্যারীমোহন সেনগুপ্ত ও অক্ষয়চন্দ্র সেন ( রায় ? ) । ❖ ግ8