পাতা:চিঠিপত্র (ত্রয়োদশ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৯৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পত্র ৫৩ । "...সন্তোবের কথা পড়িয়া দুঃখিত হইলাম।” আমেরিকায় অধ্যায়নরত সন্তোষচন্দ্র মজুমদারের লেখা কোনো চিঠি পড়ে র্তার এককালীন শিক্ষক মনোরঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষুন্ন হয়ে রবীন্দ্রনাথের কাছে তার মনোভাব জানিয়েছিলেন । পত্র ৫৪ ৷ যোগেন্দ্রবাবু। চন্দননগরের অধিবাসী যোগেন্দ্রকুমার চট্টোপাধ্যায়। র্তার পুত্র ধীরেন্দ্র শাস্তিনিকেতন বিদ্যালয়ের প্রথম দিকে কিছুকাল ছাত্র ছিলেন। যোগেন্দ্রকুমার বিশ্বভারতীর অঙ্কুর" প্রবন্ধ ( প্রবাসী, মাঘ ১৩৪৬ ), বিদ্যালয়ের স্বচনাকালের একটি আকর্ষণীয় পরিচয় দিয়েছেন ।

  • . ফ্রমে এর পাশে একটি বালিকা বিদ্যালয়ের ছোট চাবু তাপনিষ্ট গজিয়ে উঠেছে . . ."

শাস্তিনিকেতন আশ্রমের এই বালিকা-বিদ্যালয়ের অন্যতম ছাত্রী হেমলতা গুপ্ত ( ১৮৯৭-১৯৮৮ ) এই বিদ্যালয় সম্বন্ধে আমাদের কাছে এষ্ট বিবরণ দিয়েছেন— ১৩১৫ বঙ্গাব্দের পূজাবকাশের পর ঢাকার প্রসন্নকুমার সেনের দুই কন্যা কিরণবালা ও ইন্দুলেখাকে নিয়ে বালিকা-বিদ্যালয়ের সূচনা । হেমলতা গুপ্ত আসেন সে বছর পৌষ-উৎসবের পর । পরে গয়া-প্রবাসী তারকচন্দ্র রায়ের কন্যা প্রতিভা ও তার ভ্রাতা শ্ৰীশচন্দ্র রায়ের কন্যা স্বধা আসেন । এই কয়জনই ছিলেন বালিকা-বিদ্যালয়ের আবাসিক ছাত্রী । দেহলী বাড়ির একতলা ছিল ছাত্রীনিবাস । রবীন্দ্রনাথের কনিষ্ঠা কন্যা মীরা দেবী ও কনিষ্ঠ পুত্র শমীন্দ্রনাথ তাদের দিদিমা রাজলক্ষ্মী দেবীর তত্ত্বাবধানে দেহলী-সংলগ্ন 'নতুন বাড়ি'তে থাকতেন । মীরা দেবী ঐ বালিকা-বিদ্যালয়ে যোগ দেন । و ۹ ها