পাতা:চিঠিপত্র (ত্রয়োদশ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩০৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


লভিতে চাও এসো তবে বাপ দেও সলিলমাঝে ; ক্ষ্যাপা খুজে খুঁজে ফিরে পরশপাথর ; হে ভৈরব হে রুত্ৰ বৈশাখ ; ভূমির পরে জাঙ্ক পাতি তুলি ধন্থ:শর', আমায় নিয়ে যাবি কে রে দিনশেষের শেষ খেয়ায় । এই অতি দুপ্রাপ্য সংকলনগ্রন্থের বিস্তারিত বিবরণ আছে জাতীয় গ্রন্থাগার, কলকাতা-প্রকাশিত ঐস্বপন মজুমদারের ‘রবীন্দ্রগ্রন্থস্থচি প্রথম খও, প্রথম পর্বে ( প্রকাশ ১৩৯৫ ) ।

  • রথীকে শিলাইদহে রেখে এসেছি । সেইখানেই তার কৰ্ম্মের রথ তাকে চালাতে হবে ।" রবীন্দ্রনাথ তার পুত্র রথীন্দ্রনাথ ও বন্ধুপুত্ৰ সন্তোষচন্দ্রকে কৃষিবিদ্যা শিক্ষার জন্য আমেরিকা পাঠানোর সিদ্ধাস্ত নেওয়ার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই, তাদের বিদেশযাত্রার পূর্বেই, ভবিষ্যৎ কর্মজীবনে তাদের রুষিব্যাবসাতে প্রতিষ্ঠিত করার চিন্তাভাবনা আরম্ভ করেন ।

ঐশচন্দ্র মজুমদারকে ১৯০৪ খৃস্টাব্দে লেখা একটি চিঠিতে রবীন্দ্রনাথ জানাচ্ছেন—

  • জমির সন্ধান কোরো । ভবিষ্যতে বিশেষ কাজে লাগবে । সস্তোষ ও রথীকে agriculture এর জন্তই তৈরি করা স্থির করেছি— ওরা দুইজনে মিলে চাষবাস করবে এবং ভারতবর্ষের ইতিহাস আলোচনা করে জীবন কাটাবে । চাষের জন্ত স্বাস্থ্যকর জায়গা থাকা দরকার— নইলে কালিগ্রামে যথেষ্ট জমি আছে । . ."

হীশচন্দ্রকে এই অনুরোধের কারণ, এইসময় তিনি Land Acquisition officer ছিলেন। পশ্চিমগামী নূচন রেলপথ ( Grand chord ) নির্মাণকল্পে ৰিহার ছোটনাগপুর অঞ্চলে ঘে-সমস্ত জমি তৎকালীন ভারত সরকার অধিগ্রহণ করেছিলেন, সেই জমির অধিকারীদিগকে নির্ধারিত মূল্য পরিশোধ করার দায়িত্ব প্রশচজকে 3 րe