পাতা:চিঠিপত্র (ত্রয়োদশ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩২৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দরদ না থাকতেই তারা বিচারের অধিকারী । রথীর সঙ্গে আমার আত্মীয় সম্বন্ধ আছে বলেই রথী বাধা পেত এবং বাধা পেয়েছে, সেই বিপদের সম্ভাবনা অামি স্বীকার করতে রাজি নই— ডিমক্রাসির জয়পতাকা শূন্ত আকাশে অভ্ৰভেদী করবার উপলক্ষেও না। কিন্তু আমি বেশিদিন বাচব না— এবং অচিরকালের মধ্যেই ডিমক্রেসীর জয়পতাকা আমার স্বষ্টির বৃক ফুড়ে আকাশে উড়:ব । Apostolic succession এর কোনো আশঙ্কা নেই, আমি নিজের টাক দিয়ে টাকা সংগ্রহ করে প্রাণপাত করে তার পথ বন্ধ করে দিয়েছি । আমার অবর্তমানে কি ঘটবে সে মামার অগোচর নেই । হতিমধ্যে যে ডিমক্রাসি নিজে কিছুই দেরে না তারই ইচ্ছাসাধনের পথ প্রশস্ত করবার জন্তে শমি চললুম বিদেশে– ভিক্ষার ঝুলি এবং ক্ষীণ প্রাণ নিয়ে । " বিদেশভ্রমণের শেষে দেশে ফিরে রবীন্দ্রনাথ বিশ্ব ভারতী পরিচালনা বিষয়ে তার ইচ্ছা জানিয়ে আমুষ্ঠানিকভাবে শাস্তিনিকেতন-সচিবকে ষে চিঠি লিখেছিলেন, অতঃপর তা মুদ্রিত হল – ઉં আশ্রম সচিব মহাশয় সমীপে নিবেদন—- ষে পৰ্য্যস্ত এই শাস্তিনিকেতনের সমস্ত কৰ্ম্মপরিচালনার ভার আমি পুনরায় প্রত্যক্ষভাবে নিজে গ্রহণ করিবার জন্ত প্রস্তুত হইতে না পারি ততদিন পর্য্যস্ত নিজে দায়িত্বস্বীকার করিয়া ইহার ব্যবস্থাভাৱ ইমান রবীন্দ্রনাথের প্রতি অর্পণ কংিলাম । তিনি আমার প্রতিনিধিরূপে কাজ চালাইবেন । আশা করি সংসদ ইহাতে সম্মতি দিয়া আমার শ্রম ও চিন্তার লাঘব করিবেন । ইতি ৪ শ্রাবণ ১৩৩৬ जैब्बदौवनांर्ष ठांकूब tee