পাতা:চিঠিপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৩৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পরিবর্তন যদি নিজের খরচে করতে হ’ত তাহলে বুঝতে পারতুম এর মর্যাদা । বিনামূল্যের প্রশ্রয়ের আড়ালে বিধাতা র্তার স্থষ্টির শ্রেষ্ঠদানগুলিকে আড়াল করে দিয়েছেন, সুলভ বলেই তারা হয়েচে তুলভ । ভালোই হয়েচে —কনসেশনের টিকিট কিনে গাড়িতে ঠেলাঠেলি ভিড়ের মধ্যে পিণ্ডীকৃত হয়ে ঠাই বদলের দূরাকাঙ্ক্ষায় ছুটোছুটি করতে হয় না। এই নি-কড়িয়া চেঞ জের জলস্থল আকাশব্যাপী ঐশ্বর্য্য আমার মতে কয়েকটা বাদসাহি কুঁড়েব জন্তে ভিডের লোকের কাছ থেকে ঠেকিয়ে রাখা হয়েছে তাদেরি উদাসীন দৃষ্টির পর্দার ওপারে । এমনি করেই বিধা তা তার আমদরবারের মাঝখানেই খাস দরবারের আসর পাতেন । যারা সমজদার তারা নিমন্ত্রণ -পত্র আকাশ থেকে কুড়িয়ে পায় আর কেউ খবরই জানে না । এটা বোঝা যায় যারা অধিকারী তাদের সংখ্যা খুবই কম—সেই সামান্য ক’জনের জন্যে রাজাধিরাজের উৎসব সভায় এত ধুমধাম কেন তাই ভাবি । যুগ যুগ ধরে তার বীণকারকে বায়না দিয়ে রেখেছেন কেবল এদের মন ভোলাতে । বাশি অাজ বাজল, আমার দুই চক্ষু যোগ দিয়েছে ঐ কয়েক টুকরো সাদা মেঘের দলে, আমার মন বেবিয়েছে অভিসারে, একল বসে শিশির-ভেজা মাঠের ধারে, নিৰ্ম্মল নীলাকাশের নিচে ; এই অভিসারের পথ ই, আই, আরের রেলপথ নয় । অতএব চুপচাপ নিস্তব্ধ ছুটির ভ্রমণ সেরে নিচ্চি—এরপর বায়ু পরিবর্তনের দল যখন জমবে ভিড় করে, মুলতবি কাজের অনুশোচনা ঠেলা দেবে মনকে তখন আমারো রিটার্ণ টিকিটের ○> br