পাতা:চিঠিপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৪৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অনুপাতেই সিদ্ধি এইটেই হচ্চে সত্য—সাধনাকে চরখায় চড়িয়ে সংক্ষিপ্ত করে সিদ্ধি হতে পারে না—সাধনা ছেলেখেলা নয়, জনসাধারণকে ফঁাক কথায় ভোলান নয়। দ্বিতীয় যেটা টিকল না সে হচ্চে অহিংসা—তারও প্রধান কারণ, ক্ষমার পথেই অহিংসার সাধন এইটেই হচ্চে সত্য, অক্ষমার চর্চা করে, পদে পদে বিদ্বেষবুদ্ধিকে উত্তেজিত করে অহিংস্রতায় উত্তীর্ণ হওয়া এ কেবল মহাত্মাজির উপদেশবাক্যের দ্বারা হতেই পারে না। শুধু কেবল ইংরেজ গবর্মেন্টের প্রতি ও ইংরেজ-জাতির প্রতিই যে বিদ্বেষ জেগেচে তা নয়, সমস্ত পাশ্চাত্য বিদ্যার প্রতি—বিজ্ঞানশিক্ষার প্রতি। বিদ্যার যেন পূর্ব পশ্চিম দিগ ভেদ আছে। যেমন করে বিলাতি কাপড় পোড়ানো চলতে লাগ ল তেমনি করেই বিদেশী culture সম্বন্ধে লঙ্কাকাণ্ড মুরু হল। তাই আমাকে আমাদের “দেশাত্মবোধের” পাণ্ডারা বল্পে আমি পশ্চিমের মোহে মুগ্ধ—সেখানকার সাকীদের হাত থেকে প্রশংসার মদ খেয়ে সেইখানকার মাটিতেই আমার মন লুটোপুটি খাচ্চে। আমার যজ্ঞক্ষেত্রে আমি পশ্চিমের অতিথিদের আমন্ত্রণ করেচি এতেই আমার বুদ্ধিবিকার প্রকাশ পাচ্চে। আমি পশ্চিমে রম। রল প্রভূতি যে সমস্ত মনস্বীদের দেখে এসেচি সমস্ত মানব সংসারের তপস্তাকেই তারা গ্রহণ করেচেন, র্তাদের কাছে দেশবিদেশের একাস্ত ভেদ ঘুচে গেছে—এইজন্তে তাদের দেশের দেশাত্মবোধিদের কাছ থেকে র্তারা দুঃখ পাচ্চেন,— |93 e 5