পাতা:চিঠিপত্র (দ্বাদশ খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৫২৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


করে আমার শক্তির কাপর্ণো হতাশ হয়েছিলেন—এখনো সে দলের লোকের অভাব নেই।”—লেখন, প্রবাসী কার্তিক ১৩৩৫ । “নাম্নী’ মহুয়ার অস্তগত সতেরটি কবিতা, ভাদ্র অশ্বিন ১৩৩৫-এ শাস্তিনিকেতনে রচিত, প্রবাসী কার্তিক ১৩৩৫-এ মুদ্রিত। পত্র ৯২ ৷ এই পত্রটির পরিচয় প্রসঙ্গে বলা যেতে পারে ষে রবীন্দ্রনাথ ও যদুনাথের মধ্যে একটি সশ্রদ্ধ সম্পর্কে বহুদিন যাবৎ বিদ্যমান ছিল । ১৯০৪ সালে রবীন্দ্রনাথের গয়া ভ্রমণকালে যদুনাথ পাটনা থেকে তার সঙ্গী হয়েছিলেন । পাটনা থেকে তিনি যে মাঝে মাঝে শান্তিনিকেতনে' আসতেন এবং আশ্রম বিদ্যালয়ের ছাত্রদের কাছে বক্তৃতাদি করতেন তা যদুনাথের নিকট লিখিত রবীন্দ্রনাথের পত্রে স্পষ্ট বোধগম্য | দ্র: প্রবাসী ফাল্গুন ১৩৫২ । উল্লেখ্য, ‘অচলায়তন’ নাটকটি আশ্বিন ১৩১৮ তে প্রবাসীতে প্রকাশকালে রবীন্দ্রনাথ তার ‘আন্তরিক শ্রদ্ধার নিদর্শন স্বরূপে এটি যদুনাথকে উৎসর্গ করেছিলেন । তার ও পরে ১৩২০ পর্যস্ত যদুনাথ রবীন্দ্রনাথের অস্তত সতেরোখানি প্রবন্ধ ও গল্পের ইংরেজি অন্সবাদ মডার্ণ রিভিয়ু পত্রিকায় প্রকাশ করেন । বিশেষ উল্লেখযোগ্য, ১৩২ •তেই যদুনাথ রবীন্দ্রনাথের ‘ভারতবর্ষের ইতিহাসের ধারা’ প্রবন্ধের অম্বুবাদ

  • Cox–"My Interpretation of India's History' attox

অতঃপর ১৯২১ পর্যন্ত যদুনাথের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের সৌহার্দ্যের সম্পর্ক অক্ষুণ্ণ ছিল এমন নিদর্শন পাওয়া যায় । বিশ্বভারতীর প্রতিষ্ঠার প্রাক্কালে রবীন্দ্রনাথ এ বিষয়ে যদুনাথের সঙ্গে পরামর্শ করতেও উৎসুক ছিলেন । ১৯২২ সালে রবীন্দ্রনাথ তাকে বিশ্ব ভারতীর কর্মসমিতির সদস্যপদ গ্রহণ করতে আমন্ত্রণ জানালে যদুনাথ অসম্মতি জ্ঞাপন করেন । ওই প্রসঙ্গে তিনি বিশ্বভারতীর 8>●