পাতা:চিঠিপত্র (প্রথম খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৭২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সে লেখাপড়া নিয়ে দিন কাটাতে পারবে । ছোট ছেলেমেয়েদের জন্যই দুঃখ হয় ।” মৃণালিনী দেবী যখন শয্যাগত, সেই সময়ে তাহার পিসিমার সপত্নী রাজলক্ষ্মী দেবী তাহাকে দেখিতে কলিকাতায় আসিয়াছিলেন । সপত্নী হইলেও মৃণালিনী দেবীর প্রতি আপন পিসিমার মতোই তাহার অকৃত্রিম স্নেহ ছিল । সেই সময় ভাইঝি তাহাকে বলিয়াছিলেন– “পিসিমা, আমি শয্যাগত, ছেলে-মেয়েদের বড় কষ্ট হচ্ছে । তাদের দেখাশুনা করার কেউ নেই, তাদের ভার নিলে নিশ্চিন্ত হতে পারি।” পিসিমা ভাইঝির কথা রক্ষা করিয়াছিলেন, সেই দিন হইতেই তিনি সংসারে থাকিয়া শিশুদের রক্ষণাবেক্ষণের ভার গ্রহণ করিয়াছিলেন, শান্তিনিকেতনে কবির নূতন বাড়িতে সংসারের ভার লইয়া তিনি শিশুদের প্রতিপালন করিয়াছেন দেখিয়াছি । মীরা শমী তখন শিশু । পত্নীর পরলোকগমনে কবির প্রণয়প্রবণ হৃদয়ে বিচ্ছেদবেদনা যে নিদারুণ আঘাত দিয়াছিল, পত্নীস্মরণে রচিত ‘স্মরণ’-এর সন্তাপময়ী ভাষার কবিতায় পঙক্তিতে পঙক্তিতে তাহা অনুরণিত হইয়া উঠিয়াছে । “মৃণালিনী দেবী” ‘কবির কথা’, ১৩৬১, পৃ. ৬৪ ৩. ইন্দিরা দেবী পারিবারিক স্মৃতির কথা বলতে গেলে প্রথমেই পরিবার পত্তন বা বিয়ের কথা তুলতে হয়। যশোর জেলা সেকালে ছিল ঠাকুরবংশের ভবিষ্যৎ গৃহিণীদের প্রধান আকর । কারণ সে দেশে ছিল পিরালী সম্প্রদায়ের কেন্দ্রস্থল ৷ শুনেছি সেখানকার মেয়েদের রূপেরও স্থখ্যাতি ছিল, যদিও >W)8