পাতা:চিত্রাবলি - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/৯৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অলঙ্কার । , སྨྲ་བ་ { “暇 পাড়ার অনেকগুলা লোক, সেবার কলেরায় মারা পড়িয়াছিল। কলের রোগীর নাম গুলিলে, সেদিকে কেহই যাইতে চাহিত না । যদুপতির জ্ঞাতি খুড়া তারাকান্ত ভট্টাচার্ষ্য মহাশয় সেবার কলেরায় মারা পড়েন।, তারাকান্তের স্ত্রী এবং শিশু-পুত্রদুটাও সেই সময়ে কলেরায় আক্রান্ত হইয়াছিল। কিন্তু কমল দিনরাত্রি গুশ্রুষা করিয়া যেরূপে তাহাদিগকে বাচাইয়ু তুলিয়াছিলেন, সে কথা গ্রামের লোক বোধ হয় কখনও ভুলিতে পারিবে না। কমলাকে সেবার কেহ কেহ বারণ করিয়াছিল,—“ওলাউঠা ংক্রামক রোগ । ওলাউঠা রোগীর সংস্পশে যাইলে, ঐ রোগাক্রান্ত হইয়া মারা যাওয়ার সম্পূর্ণ সম্ভাবনা।” কিন্তু কমলা তাহাতে উত্তর দিয়াছিলেন,—“যদি পেটের ছেলে-মেয়ের কখনও কলেরা হয়, পিত্তামাত ভাহাদিগকে ত্যাগ করিয়া পলাইয়া যান কি ? অথচ, পুত্র-কন্যার শুশ্রুষায়, পিতামাত যে পুত্রকন্যার রোগে আক্রান্ত হন, কদাচ তাহ বলা যায় না । বিশেষত:, কলেরা রোগীর দেহ বা মলমূত্র স্পর্শ করিলেই যদি রোগাক্রান্ত হইয় মারা যাওয়ার নিশ্চয়তা থাকিত, তাছা হইলে মেথর বা মুদফরাসের বংশ বোধ হয় পৃথিবী হইতে কোন কালে লোপ পাইপ্ত। যাহা হউক, কলেরার বৎসর কমলা কাহারও বারণ গুলেন নাই। ঔষধ, পথ্য এবং পরিচর্য্যার ব্যবস্থায় তিনি । গ্রামের অধিকাংশ লোকেরই আশীৰ্ব্বাদ-ভাজন হইয়াছিলেন। .ே- - الله 冷>