পাতা:চিদ্বিলাস - বিনয় কুমার সান্যাল.pdf/২৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটিকে বৈধকরণ করা হয়েছে। পাতাটিতে কোনো প্রকার ভুল পেলে তা ঠিক করুন বা জানান।
২২
চিদ্বিলাস।

সামান্য কার্য্যেরও কর্ত্তা দেখিতে পাওয়া যায়, তখন এই জগৎরূপ অতি মহৎ কার্য্যেরও একজন কর্ত্তা আছেন।

 পরমাণু নিরবয়ব, অবিভাজ্য, অজ ও নিত্য। ইহার দুইটি সংযোগে দ্ব্যণুক ও তিনটি দ্ব্যণুকের সংযোগে ত্রসরেণু এইরূপে ক্রমে মহাবয়বী পর্য্যন্ত উৎপন্ন হয়। অবয়বী পদার্থ বিভাজ্য অতএব তাহার বিনাশ আছে। পরমাণু ও দ্ব্যণুক প্রত্যক্ষ হয় না, ত্রসরেণু ইন্দ্রিয়ের গোচরীভূত হইয়া থাকে। জগৎ যখন ক্রম বিভাগ দ্বারা পরমাণুরূপে পরিণত হয়, তখনই তাহার বিনাশ, প্রলয় বা তিরোভাব।

 মহর্ষি গোতম ষোড়শ পদার্থ স্বীকার করেন, যথা—প্রমাণ, প্রমেয়, সংশয়, প্রয়োজন, দৃষ্টান্ত, সিদ্ধান্ত, অবয়ব, তর্ক, নির্ণয়, বাদ, জল্প, বিতণ্ডা, হেত্বাভাস ছল, জাতি ও নিগ্রহস্থান। ইহাদিগের মধ্যে প্রমেয় পদার্থতত্ত্বের জ্ঞানই মুখ্যভাবে মুক্তির হেতু, এবং অপরাপর তত্ত্বের জ্ঞান পরম্পরা সম্বন্ধে মুক্তির হেতু। প্রমাণাদি পঞ্চদশ পদার্থ তর্কেতেই ব্যবহৃত হয় বলিয়া সে সম্বন্ধে কোন প্রকার বিশেষ