পাতা:জয়তু নেতাজী.djvu/১০৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গান্ধীজী ও নেতাজী $36t প্রীতি, তাহার উপরে জৈনধৰ্ম্মের প্রভাব, এবং তাহারও উপরে, র্তাহার রক্তগত বৈগু-বুদ্ধি । ইহার কোনটাই জাগতিক ব্যাপারে উচ্চ উদ্দেশু-সিদ্ধির অমুকুল নয়। ভারতীয় অধ্যাত্মসংস্কারে একরূপ বৈরাগ্যই স্বাভাবিক,–জাগতিক যতকিছু অহিত বা অমঙ্গল, তাহা শেষ পর্য্যস্ত এমন কিছু নয়, যাহার জন্ত, সেই আত্মার স্বাস্থ্যহানি করা যাইতে পারে । জৈনধৰ্ম্ম বৌদ্ধধৰ্ম্মেৰ প্রায় সগোত্র, তাহাতে সর্ববপ্রকার হিংসাই পাপ—অহিংস। বা non-resistance-ই ধৰ্ম্ম ; শক্তির বিরুদ্ধে শক্তির প্রয়োগ অপেক্ষা আত্মদমন বা নিবৃত্তিমূলক প্রতিরোধই কল্যাণকর ; আঘাত যদি প্রতিঘাত না পায় তবেই সকল আঘাত আপনিষ্ট নিরস্ত হইবে, অমঙ্গলের জড় নষ্ট হয় যাহবে । ইহাই কোন এক যুগেব ভারতীয় তত্ত্বচিন্তার ফল ; এ চিস্তার মূলে আছে স্বষ্টিকে একরূপ অস্বীকাবের দ্বাণ nিiববষ অর্থাৎ নিঃসত্ত্ব করিয়া তোলা ! তহার ফল কি হঠতে পারে, ভারতেৰ ইতিহাসও তাহার কতক পরিমাণ সাক্ষ্য দিবে ; এবং জাগতিক ব্যাপারে ইহাকে সম্ভব করিয়া তোলা সম্ভব কিনা, মানুষের ইতিহাস এবং মামুষের সহজ বুদ্ধি তাই বলিয়া দিবে। ইহাও মনে রাখিতে হইবে যে, ঐ তত্ত্বই ভারতীয় মনীষা বা সাধনার একমাত্র তত্ত্ব নয়, উহা একটা আংশিক তত্ত্ব মাত্র, বরং প্রধান চিন্তাধারার বিরোধী ; যদিও গীতা হইতে শঙ্কর-দর্শন পৰ্য্যস্ত, তথা ভারতীয় হিন্দুসাধারণের ধম্মীয় চেতনায়, বৌদ্ধদৰ্শনের প্রভাব আজিও প্রচ্ছন্ন,—এমন কি, কোন কোন সমাজে প্রবল হইয়া আছে । &