পাতা:জয়তু নেতাজী.djvu/১০৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Vo জয়তু নেতাজী গান্ধীজীর চিত্তে এই তত্ত্বই আর সকল তত্ত্বকে পরাভূত করিয়া বিবাজ করিতেছে । তারপর, তাহার রক্তগত বৈশ্য-বুদ্ধি, অর্থাৎ বণিক-মনোবৃত্তি । এই মনোবৃত্তির বশে তিনি আদান-প্রদান বা লেন-দেন, ও আপোষকেষ্ট, সর্বববিধ উপার্জনের ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠ নীতি বলিয়া বিশ্বাস করেন । বণিককে সৰ্ব্বদাই তুষ্ট পক্ষের কথা ভাবিতে হয়, এবং অপর পক্ষেৰ তুষ্টিসাধনের সূক্ষ, সকল সময়েন্স রফ করিতে হয় । ইংরেজীতে যাহাকে বলে make-up'— গান্ধীজীর ব্যক্তিমানসেব, তথা চরিত্রের সেই 'make-up' ইহাই ; তাহা অতিমানবীয় বলিয়া বিস্ময়-বিমূঢ় হইবার কোন কারণ নাই। তাহার ব্যক্তিত্বের যাত৷ কিছু অসাধারণত্ব তাহ আৰ কিছু নয়, সকল শক্তিমান পুরুষেরই যাহা, তাহাই,--আদম্য আত্মবিশ্বাস ; এবং সেই বিশ্বাসের বস্তুকে আর সকলেব উপরে আরোপণ করিবার 2ear বা একাগ্র বাসনা । এইরূপ মানুষ পৃথিবীতে বিবল নয়, এমন কি ইহাদের অপেক্ষাও শক্তিমান পুরুষ দুর্লভ নহে ; কিন্তু ততিহাস বা কালেব কতকগুলি লগ্ন আ০ে, সেত লগ্ন যদি এইরূপ জীবনের সহিত যুক্ত হয় তবেই গান্ধীজীর মা পুরুষের অভু্যত্থান ঘটে ; লগ্ন যদি অমুকুল না হয় তবে তাহা অপেক্ষাও মহত্তর ব্যক্তি ইতিহাসের অগোচর থাকিয় যায় । কিন্তু যাহা বলিতেছিলাম । গান্ধীজ্ঞার সাধম বেব মূলে আছে ভক্তি ও বৈরাগ্য ; শুক্তি অর্থে— একটা বিরাট শক্তি, যে শক্তি ভুঞ্জেয় হইলেও মঙ্গলময়-—সেষ্ট শক্তির নিকটে আত্মসমপণ ( ইংরেজও সেই শক্তির অংশ ) ; এবং বৈরাগ্য