পাতা:জয়তু নেতাজী.djvu/১৪৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


নেতাজী yo & ও নেতৃত্ব সাবা ভারতকে এক নবজীবনের আবেগে স্পন্দিত করিতে লাগিল । গান্ধীজী তখন ধৰ্ম্ম গুরু নহেন, বিশাল সৈন্যবাহিনীর সেনাপতি- অচিব-বিজ্ঞষলাভের আশ্বাসদাতা, পাঞ্চজন্যধারা জনাৰ্দ্দন । সেহ কালে, ভারতের সেঙ্গ অভিনব জাগৰণ-ক্ষণে, একজনের আত্মা যেমন জাগিয়াছিল, তেমন আর কাহাবও জাগে নাই । তরুণ সুভাষচন্দ্র ভারতের স্বাধীনতালাভকে অন্তরেব সহিত বিশ্বাস করলেন , সে আর স্বপ্ন নহে— অতিশষ বাস্তব-সভ্যতা বলিযা বিশ্বাস করলেন । “তান গান্ধীজীর নীতিতে পূর্ণ আস্থাবান ন হইলে ৫, তাহাব নেতৃত্বে আশ্বস্ত হইলেন এবং বিরাট জন-জাগরণের—তথা জাতিৰ চৈতন্যসম্পাদনেব গুরুরূপে তাহাকে বরণ করিলেন , গান্ধী-ধৰ্ম্ম নয, গান্ধী-নীতিও নয,~~তিনি গান্ধীজাকে অকপটে বিশ্বাস কবিলেন । সুভাষচন্দ্র চান স্বাধীনতা ; গান্ধীজী সেই স্বাধীনতালাভেব জস্ত যুদ্ধ কবিবেন, কো, রূপ অপোষ বা রফা তিন কবিবেন না । এই আশা ও বিশ্বাসে সুভাষচন্দ্র বিরজা-হোম করিয়া সেই হোমাগ্নিতে সববস্বার্থ আহুতি দিয়া গৃহ হাততে নিষ্ক্রান্ত হইয়া ছিলেন— আজি ও তিনি গৃহে ফিবেন নাই কিন্তু ক্রমেই র্তাহার সেই বিশ্বাস আঘাতেব পর আঘাতে জর্জরিত হইয। উঠিল । গান্ধী-মন্ত্র যে একটি অব্যভিচাৰী সত্য মন্ত্র নয়, তাহাতেও সুবিধাবাদ ও কূটকৌশলেৰ স্থান আছে, ইহা ক্রমেই অধিকতর স্পষ্ট হইয়া উঠিতে লাগিল স্বভাষচন্দ্রের ভক্তি লঘুচিত্রে ভক্তি নয় , সুভাষচন্দ্র গান্ধীজীর