পাতা:জয়তু নেতাজী.djvu/১৪৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


জয়তু নেতাজী يا ما لا পরবর্তী কীৰ্ত্তিকলাপে ক্রমিক দুৰ্ব্বলতা, নিরুপায়ের উপায়উদ্ভাবন, দ্বৈধ ও সংশয় এবং নৈষ্কৰ্ম্ম বা সংগ্রাম-বিমুখত লক্ষ্য করিযাও গান্ধীজীর সততা বা সত্যনিষ্ঠায় আস্থাষ্ঠীন হন নাই ; এমন কি, ত্রিপুরীতে গান্ধী-সৈঙ্কের ধৰ্ম্ম ও কৰ্ম্মের সেই স্বরূপ প্রকাশিত হইবার পরেও তিনি গান্ধীজীর প্রতি র্তা তার সেই বিশ্বাস ত্যাগ করিতে পারেন নাই ; যাহাবা নিজে মহৎ তাতারা মহতের অধঃপতনকেও সাময়িক ভ্রান্তি বা পদস্খলন বলিয়াই মনে করে । ১০।১২ বৎসরের মধ্যেই গান্ধী-নীতির আমূল পরিবর্তন হইল । খেলাফতের নারুণ নিববৃদ্ধিতা ও তাঙ্গার অশুনির্তিত অসত্যই সৰ্ব্বপ্রথম তাহার শক্তি ও নীভির শুচিত নষ্ট করিয়াছিল । ক্রমে খাদি ও চরকাষ্ট হইল একমাত্র সংগ্রাম-কৰ্ম্ম এবং .অহিংসা বা প্রেমের আধ্যাত্মিক তপস্যাই হঠল অক্ষমতা ও আত্মসংকোচের একটি প্রকৃষ্ট আবরণ । যুদ্ধ ত্যাগ করিয়া গান্ধীক্তা নেতার পরিবৰ্ত্তে ধৰ্ম্ম গুরুরূপে দেখা দিলেন ; কিন্তু তখনও সেই স্বাধীনতা-সংগ্রামের সৈন্ত-সজ্জা তেমনই রহিল ; পুর্ণেব সংগ্রাম ছিল, সেন্সও ছিল, কেবল সংগ্রামের নীতিটাই ছিল ‘ ভয়-ভাতা ছিল একরূপ ধৰ্ম্মযুদ্ধ ; এখন যুদ্ধ রছিল না, তাহার সেই ধৰ্ম্মষ্টাই আরও বড়, আরও গভীর হঠয়া উঠিল । যে জাগরণ তুষ্টয়াঞ্জিল সংগ্রামের জঙ্গ-তখন সেই জাগরণকে একটা অতিশয় আধ্যাত্মিক ধৰ্ম্মসাধনায় নিয়োজিত করিয়া জনগণকে নিশ্চিন্তু করা হইল । স্বাধীনতার কোন চিন্তা বা ভাৰনা তাঙ্গার কপ্লিবে না, তাহার