পাতা:জয়তু নেতাজী.djvu/১৭৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


নেতাজী Sළුම් উপায় আর নাই । সৰ্ব্বদা বিপদের মুখে ছুটিয়া যাওয়া, আগুনে ঝাপাইয়া পড়, অত্যাচার নিবাবণে অস্থির হইয়া উঠা, পরের প্রাণবক্ষার জন্য নিজ-প্রাণ বিপন্ন করিয়া শত্রুব উপরে পতিত হওয়া—এক কথায় দেহ-মন-প্রাণকে সৰ্ব্বদা একটা উচ্চ ভাব ও উচ্চ লক্ষ্যে নিযুক্ত বাখিলেই মানুষের মনুষ্যত্ব জাগিয় উঠে, তাহার বক্ষে-বাহুতে সেই বীৰ্য্য সঞ্চারিত ও সঞ্চিত হয় যাহা বৃহত্তর যুদ্ধে তাহাকে জয়ী কfরতে পারে । কিন্তু তৎপরিবর্তে সে যদি কেবল চরকায় সূতা কাটে, তবে তাতার মনও ভিতরে ভিতরে যতপ্রকার তুষ্টচিস্তার সূতা কাটিতে থাকিবে, সৎ প্রবৃত্তিব পরিবর্ভে অসৎ প্রবৃত্ত্বিই জাগিবে ( আমি সাধারণ মানুষের কথাই বলিতেfe ) ; সে তখন গান্ধী ও গান্ধী-কংগ্রেসের ভক্ত হুইয়। সেই ভক্তিব বশে, হয় 'নেতা", নয় ‘সম্পাদক, নয় ‘বি’লফ কমিটি’ৰ অধ্যক্ষ প্রভৃতি পদে, অথবা নানাবিধ ব্যবসায়ে লায়েক হইয়া উঠিবে ; ভক্তি যদি আরও গভীর ও নির্জলা হয় ভাঙ্গা হক্টলে গো-পালন ও খাদি-বয়নের দ্বারা দেশোদ্ধারের চুডান্ত করিয়া ছাড়িবে । গান্ধী-ধর্মের দোহাই দিয়া অতিচতুর সুবিধাবাদীপ দল আজ কি না কবিতেছে । আর ঐ হরিজন-সেব। এবং সাম্প্রদায়িক প্রেম-সাধনা—তাহার দাপটে প্রাণরক্ষা করাই দায় হইয়া উঠিয়াছে । তথাপি সুভাষচন্দ্র ঐ কংগ্রেসকে কি চক্ষে দেখিতেন, গান্ধীজীকেও তিনি শেষ পৰ্য্যন্ত কিরূপ শ্রদ্ধা করিতেন, তাহার