পাতা:জয়তু নেতাজী.djvu/১৮৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


নেতাজী Ᏹ8Ꮌ সেইরূপ গৌরব দাবী করিতেছি না ; অবতার বা মানব-ধৰ্ম্মఫి যে সকল মহাপুরুষ পৃথিবীতে চিরপূজ্য হইয়া এৈিছন, তাহাদের মহিমা যেমনষ্ট হোক, তাহারা সাধারণ মানচরিত্র নহেন—একটু উদ্ধ স্তরের আত্মা / সুভাষচন্দ্রের চরিত্র সাধারণ না হইলেও, তাতার মহত্ত্ব— মানবতায় । ভারত্তইতিহাসের এক অতিশয় সঙ্কট-লগ্নে তিনি যেন বিধাতাকর্তৃক একটি কঠিন ব্রত উদ্‌যাপন করিতে আদিষ্ট হইয়াছিলেন, আমরাও প্রধানতঃ সেই কৰ্ম্মের ভিতর দিয়াই তাহার পরিচয় পাই । কিন্তু মানুষ- সুভাষচন্দ্র যে সেই নেতাজী-নামধারী সুভাষচন্দ্র হইতে কত্ত বড, ইতাই যদি আমরা বুঝিতে না পারিলাম, তবে মানবাত্মার একট। বড় প্রকাশকেই আমব দেখিলাম না । } তাই ক্ষণেক্লের জন্ত তাহার সেই বাহিরের বেশ, যত কিছু বাহিরের সম্পর্ক – গান্ধী, কংগ্রেস, ব্রিটিশ-গভর্ণমেণ্ট ও আজাদ-হিন্দ —সব দূরে সরাইয়া, আমরা সুভাষ-নামধারী সেই মহাত্যাগী ও মহাপ্রেমিক, আত্মশক্তিমান ও মহাবীৰ্য্যবান পুরুষশ্রেষ্ঠকেই চিনিয়া লইব। চিনিবার উপায়ও আছে। ২০ মানুষের শ্রেষ্ঠ পরিচয় প্রেমে –এই প্রেম যত বড়, মানুষও তত বড় । সুভাষচন্দ্রের দেশ-প্রেম—তাহার কি তুলনা আছে ? তেমন প্রেম পৃথিবীর ইতিহাসে আর কাহারও মধ্যে ঠিক সেই মাত্রায় ও সেই রূপে প্রকাশ পাইয়াছে ? এ প্রেম—আত্মার আত্মোৎসর্গের ষে আনন্দ, সেই আনন্দ-পিপাসা 以 স্বামী বিবেকানন্দ ইহাকে জ্ঞানে পাইয়া কৰ্ম্মে রূপ দিতে চাহিয়া