পাতা:জয়তু নেতাজী.djvu/১৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ه اره به স্বাঞ্জাত্যবাদ ও শক্তিবাদকে সম্পূর্ণ ভিন্নমুখী করিয়া, তিনি ভারতের স্বাধীনতা-সংগ্রামকে যে পথে প্রবত্তিত করিলেন তাহাতে বাঙালীর স্থান অর রচিল ন – সঙ্গে সঙ্গে সেই জীবল-বাদ, সেক্ট শক্তিবাদ, সেই মহা ভারতীয় হিন্দুধৰ্ম্মও পুনরায় মধ্যযুগীয় আধ্যাত্মিকতা ও ক্লীববৈরাগ্যের দ্বারা আচ্ছর বা নিরাকৃত হইয় গেল । এখানে এ সম্বন্ধে অধিক বলিবার স্থান নাই— ভূমিকা দীর্ঘ হইয়া পড়িতেছে । এ সম্বন্ধে আমি অল্পত্রে বিস্তারিত আলোচনা করিয়াছি । ৪ এখানে আমি কেবল ইহাই বলিতে চাই যে, নেতাজী স্বভাষচলেছে সেই বাঙালী-ধৰ্ম্ম ও বাঙালী-প্রতিভার পূর্ণ বিকাশ ও ইয়াছে, তিনিই নবযুগের মানৰ-ধর্শ্বকে স্বাভাবিক ও সাৰ্ব্বজনীন ভিত্তির উপরে পুন:প্রতিষ্ঠিত করিয়া, শুধুই ভারতের চিন্দুকে নয়, মুসলমানকেও, মুক্তির পথ দেখাইয়াছেন । এই বাংলাদেশে বাঙালীই সে পথের সন্ধান করিয়াছে—সেই যে “দুর্গং পথস্তং কবয়ো বদস্তি,” তাচাকে স্বগম করিয়াছে, এবং সারা ভারতকে সেই পথে চলিতে আহবান করিয়াছে । গান্ধীধৰ্ম্ম মামুষের স্বভাববিরুদ্ধ বলিয়া—বরং তাহ প্রকৃতি সহদ্ধে নাস্তিক, এবং একরূপ অধ্যাত্মৰাজে অন্ধবিশ্বাসী বলিয়া, হিন্দু মুসলমান কাহারও ধৰ্ম্ম হইতে পারে মা ; সেই ধৰ্ম্ম যেমন যুগোচিত নয়, তেমনিই তাছার অস্তলিস্থিত তত্ত্ব সমন্বয়ৰিমুখ বলিয়া—সত্যও লছে । স্বভাষচন্দ্রও, বিবেকানন্দের মত, কেবল বাংলার কথাই ভাবেন নাই । তিনি ভারতের সর্বপ্রদেশ, সৰ্ব্বজাতি ও সৰ্ব্বসম্প্রদায়কে এক গভীর ও উদার স্বাঞ্জাত্যবোধের দ্বার। —সমগেীর ব-বোধের দ্বার। ( পাপ-মোচন বা হরিজনসেবা দ্বারা লয় ), সত্যকার অস্ট্রিীয়ত-ৰন্ধনে বঁাধিতে চাহিয়াছিলেন । এই যুক্তির फ cञक८क ब्र ‘वकिब-व ब्र१' अcई छ cचव च दक ¥ ठेवf ।