পাতা:জয়তু নেতাজী.djvu/১৯৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


জয়তু নেতাজী O E করিতে পারিতেন না–নির্জনে কাদিতেন ; কিন্তু কিছুতেই সুভাষচন্দ্রকে আত্মরক্ষা বা আত্মকল্যাণচিন্তায় অবহিত করিতে শক্ষিতেন না। উপরে যে দুইটি কাহিনীর উল্লেখ করিয়াছি, উহার মধ্যেই মুভায-চবিত্রের আদি-রূপ দেখিয়া লইতে হইবে । সুভাষের দেশ-প্রেম একটা বড় সেটিমেণ্ট ব। প্রবল হৃদয়াবেগ মাত্র ছিল না, তাহার মূলে ছিল অপার করুণা ; করুণা বলিতে BBS BBSBBS BB BBBBSBBBB BBD BBBBB ভিখারীব সমান হয়, সেও যেন যাচনা কবে, যেন গ্রহণ করিলে সে কৃতাৰ্থ হয় । এই সুভাষচন্দ্র যুদ্ধ কবিয়াছিলেন ! এত বড় প্রেম যাহার তাহার সেই যোদ্ধৃবেশের অন্তরালে কোন হৃদয় স্পন্দিত তইতেছিল ? সাক্ষাৎ আততায়ী তাহাকে বধ করিতে আসিয়া ধৃত হইয়াছে।--তেমন ব্যক্তিকে ও তিনি আলিঙ্গন করিয়া মুক্তি দিয়াছেন । কতবার যে সামরিক আইন অগ্রাহ করিয়া বিশ্বাসঘাতক সেনানীকে ক্ষমা করিয়াছেন, তাহা উল্লেখ করিয়া আঞ্জাদ-হিন্দ -ফৌজেব এক উচ্চ কৰ্ম্মচারী পরে দুঃখ করিয়াছেন ; তাহাতে অনেক ক্ষতি হইয়াছিল । সুভাষচন্দ্র যখন যুদ্ধক্ষেত্র পরিদর্শন করিতে যাইতেন তখন সেনানিবাসে পৌঁছিয়া তিনি সৰ্ব্বাগ্রে নিম্নতম সৈনিকের ভোজনশালায় প্রবেশ করতেন, এবং নিজে তাহাদের খাদ্য আস্বাদন করিয়া দেখিতেন, তাহা খাদ্য কি অখাদ্য । যুদ্ধশেষে রেঙ্গুন হইতে প্রত্যাবৰ্ত্তন-কালের একটি ঘটনাও উল্লেখযোগ্য ; তিনি নিজে