পাতা:জয়তু নেতাজী.djvu/১৯৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


নেতাজী Ꮌ © হইয়া আছে, কিন্তু উদ্বেল জনসমুদ্র স্থির থাকিতে পারিতেছে মd-উন্মাদনার ঝটিকাবেগে আন্দোলিত হইতেছে । এমন সময়ে মঞ্চের উপরে নেতাজীর এ কোন মূৰ্ত্তি ! শপথ-বাণীর একস্থানে আসিয়া তাতা পাঠ কালে হঠাৎ তাহার কণ্ঠ রুদ্ধ হইয়। গেল, তারপর দেখে আর স্পন্দ নাহ, চক্ষুতারক। অপলক, সর্বশরীর পাথরের মত কঠিন হইয় গেছে ! একেবারে সমাধিস্থ ! সীঞ্জার হ্যানিবলেব কি এমন সমাধি হইত ? এ কি রণোত্মাদের সমাধি ? যোদ্ধ বেশপারহিত মূৰ্ত্তি, সম্মুখে বিরাট সৈন্ত-প্রদর্শনী,—তাহাব মধ্যে এ কি ভাবাবস্থা ! দেশের চল্লিশকোটি নর-নারীর দাসত্বমোচন, তাহাদের সেই ছবিবষ১ দাবিদ্র। ও অসীম দুৰ্গতি স্মরণমাত্রে সারা প্রাণে বেদনার বিদ্যুৎ-স্ফুরণ হইল, সেই চল্লিশকোটির বেদনা একটি মামুষের দেহে নিমেষে পুঞ্জাভূত হইয়। উঠিল -সেই পঞ্জীভূত বেদনার বিরাট স্পন্দনে সারাদেহ নিম্পন্দ গুইয়া গেল ! কিন্তু এমন সমাধি ত আর কাহার ও হইতে শুনি নাহ ৷ পায় বিশমিনিট বা আৰ্দ্ধঘণ্টা ব্যাপিয়া তেমনই অবস্থা—দেহ নিস্পন্দ, চক্ষু পলকহীন ; শেষে সেই দেহ স্পর্শ করিলে পর সন্ধিৎ ফিবিয়া আসিল । আমি সেই মহাশ্লেমের সেই সমাধি--নেতাজার সেই মূfও আমার মানসনেত্রে অহরহ দেখিতেছি । এ মানুষ কি শুধু 'নেতাঞ্জা' ? এ যে মানবাত্মার এক নবতম পরিচয় । ভারতভুমি ভিন্ন আৰ কোন দেশে এহেন রূপ কখনও সম্ভব হইত না । আজাদ-হিন্দ-সেনার প্রত্যেক