পাতা:জয়তু নেতাজী.djvu/২৩৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পরিাশg నరి অভিপ্রায় সম্বন্ধে কিছুমাত্র সন্দেহ থাকে না ; সে বিষয়ে গান্ধী কখনও তাহার সংকল্প হইতে কিছুমাত্র বিচলিত হন নাই। সেই সংকল্পসাধনের জন্তই তিনি লেষ্ট ১৯১৯ হইতে ১৯৪৬ পর্য্যস্ত, এক এক অবস্থায় এক এক পক্ষকে পরাস্ত করিতে—কখনো দ্ব্যর্থপূর্ণ উক্তি, কখনো স্তোকবাক্য, কখনও ভগবদুক্তি ( Voice of God ), কখনো বা স্পষ্ট-বাক্য ব্যবহার করিয়াছেন ; একদিকে জনগণের অন্ধভক্তি অটুট রাথিবীর জষ্ঠ যত-কিছু আমুণ্ঠানিক নিত্যকৰ্ম্ম, অপরদিকে জাতীয়তাবাদী বিপ্লবীদিগকে নিরস্ত ও নিষ্ফল করিবার জষ্ঠ কূটনীতির চুড়াস্ত করিয়াছিলেন । এই সকল কথাই সুভাষচন্দ্রের গ্রন্থে আছে, কিন্তু তৎসত্ত্বেও তিনি গান্ধীজীকে অবিশ্বাস করিতে পারেন নাই । তিনি গান্ধীকে একজন সরল-বুদ্ধি, রাজনীতি-অনভিজ্ঞ, আত্ম প্রত্যয়শীল ও দৃঢ় প্রতিজ্ঞ পুরুষ বলিয়াই বুঝিয়াছিলেন, এবং গান্ধীর নিজস্ব কূটনীতির সেই অভ্রাস্ত প্রয়োগ-কৌশলকেও তা তার নিদারুণ বুদ্ধিভ্রম বলিয়া দুঃখ প্রকাশ করিয়াছেন । এই গ্রন্থ বচিত হয় ১৩৩৪ সালে, তখনও ত্রিপুরী ংগ্রেসেব সেক্ট কুৎসিত ষড়যন্ত্র ও উলঙ্গ তাণ্ডব অমুষ্ঠিত হয় নাই । কিন্তু তাহার পবে সুভাষচন্দ্রের হৃদয়ে যে লৌহু-শলাকা প্রবেশ করিয়াছিল, তাহাতে মৰ্ম্মাহত হইলেও তিনি গান্ধীর সাধুতা সম্বন্ধে আস্থা হারান নাই । এই গ্রন্থে যে একটি ধারণা বারবার প্রকাশ পাইয়াছে তাহা এই যে, গান্ধীর মস্তিষ্ক-শক্তি ( Intellect ) নিম্নস্তরের বলিয়া তিনি ঐ সকল ভ্রাস্তির বশবৰ্ত্তী হইয়াছিলেন ; চিত্তরঞ্জন, মতিলাল বা লাজপত রায় বাচিয়! থাকিলে তাহার। তাহার বুদ্ধিকে ঠিক পথে পরিচালিত করিয়া ঐরূপ ভ্রাস্তি হইতে রক্ষা করিতেন । সুভাষচজ ষেন শেষ পৰ্য্যস্ত ইহাই ভারতের সবচেয়ে দুর্ভাগ্য বলিয়া দারুণ কুঃখ পাইয়াছিলেন যে,—এতবড় মহাপ্রাণ, সাধু ও সত্যনিষ্ঠ পুরুষের স্বারাও ১৩