পাতা:জয়তু নেতাজী.djvu/২৩৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পরিশিষ্ট >ఏసి এই ব্রিটিশ-প্রতি যে কেন—অহিংসা নয়, শুধু ধর্শরূপেও নয়—একটা অতি গুঢ়-গভীর উদ্দেশুসাধনের উপায় রূপে বড় কাৰ্য্যকরী হইয়াছিল, সুভাষচন্দ্র তাহা বুঝিতে পারেন নাই ; আজ চয়তো তাহ দিবালোকের মতই দেখিতে পাইতেন ; আমরাও পরে তাহ দেখিব । অতি অল্পকালের মধ্যেই গান্ধী দেশবাসীগণের চিত্ত ভিন্নপথে আকৃষ্ট করির্তে সমর্থ হহলেন । ইহা আদে আশ্চর্য্যের বিষয় নহে, ভারতবাসী জনগণের চিষ্ট্রে ঐ ভাব সহস্ৰ বৎসবে মজ্জাগ৩ হহয়! আছে ; আঙ্গি ও, —শুধু অশিক্ষিত নয়, শিক্ষিত ভার ৩বাসীর মধ্যে র্যাহারা ধৰ্ম্মপিপাসু— রাজনীতি, বা দেশ ও জাতিব কল্যাণ চিন্তু যাচাদের মুখনিদ্রার কিছুমাএ ব্যাঘাত কবে না – সেইরূপ সুপণ্ডিত ও ধাৰ্ম্মিক ব্যক্তিগণ গান্ধীমহাত্মাকে মহাপুরুষ বলিয়াই অশম ভক্তিভরে প্রণাম করিয়া থাকেন। হিন্দুর ধৰ্ম্মঞ্জীবনে এইরূপ দাস্ত-ভাব লক্ষ্য কবিষাই ভারতীয় মুসলীমসম্প্রদায় হিন্দুকে কিছুতেই শ্রদ্ধা করিতে পারে না—দাস-জাতি বলিয়া অতিশয় ঘুণ। কবে । ইহাতে হিন্দুর কিছুমাত্র ক্ষোভ নাই—বরং গৰ্ব্বই আছে ; কারণ এরূপ দাস্তভাবের সাধনাকে—দুৰ্ব্বল, ক্ষীণপ্রাণের ঐ তামসিক মনো ভাবকেই—অতি উচ্চ সাত্ত্বিকতার নাম দিয়া তাহারা বস্ত কাল যাবৎ পৰম আত্ম প্ৰসাদ লাভ কবিতেছে । স্বামী বিবেকানন্দ ইহাই দুব করিতে চাহিয়াছিলেন । কিন্তু তৎসত্ত্বেও স্বাধীনতাকামী বিপ্লবীদের নানা দল গান্ধীকে মানিবে না, মাঝে মাঝে তাহাদেব উপদ্রবময় অভিযান তাহার আশঙ্কা বুদ্ধি করে ; তখন মহাত্মা একদিকে তাহার মাহাত্ম্য এবং অপরদিকে তাহার অসাধারণ কুটবুদ্ধিব স্বারা কংগ্রেসের ভিতরে ও বাহিরে সকল বিক্ষোভ শাস্ত, অর্থাৎ নিষ্ফল কবিয়া দিতেন । এই গ্রন্থে তাহার কয়েকটি চমৎকাব দৃষ্টান্ত আছে, পরে উদ্ধৃত কবিব । অনশনে প্ৰাণ-ত্যাগ