পাতা:জয়তু নেতাজী.djvu/২৮১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পরিশিষ্ট 及3> দিল—সেই বৈগুনীতিই জয়ী হইল। সেই মুনাফা—ভারতীয় নেতাগণের পক্ষে—বিশেষ করিয়া ধনিক ব্যবসায়ীদের পক্ষে (Capitalists)– ইজত্বলাভুের মত। ভারত ইহার প্রতিবাদ করিতে পারিল না,— করিবে কে ? হরিজন, চরকা ও প্রার্থনা-সভা—এই তিনের দ্বারা গান্ধী জনগণের সকল ভাবনা হরণ করিয়াছিলেন,—ভারতের রাষ্ট্রনৈতিক ভাবনা তাহারা গান্ধীর হাতে ছাড়িয়া দিয়া পরম শাস্তির নিঃশ্বাস ফেলিতেছে । তাই ব্রিটিশের বড় সুবিধ হইল ; জাগ্ৰত জনমতকেই তাহারা ভয় করে ; যখন কোল এক-জাতি স্বাধীনতা-লাভের জষ্ঠ জাতিগতভাবে শক্তি ও বুদ্ধি প্রয়োগ করে তখনই সমুহ বিপদ ; কিন্তু এখানে জাতিগত চেষ্টা বা জনমত বলিয়। কিছুই নাই—সবই একজনের চিস্তা, বহুকে সে চিন্তা করিতেই দেয় নাই ; প্রজাতন্ত্র বা ডিমোক্রেসির গন্ধমাত্র তfহাতে নাই ; স্বাধীনতার প্রাণময় কামনাও নিৰ্ব্বাপিত হইয়াছে । অতএব প্রজাশক্তিকে সম্পূর্ণ দমন করিয়া, তাহাদের রাজনৈতিক চেতনা পর্য্যস্ত লুপ্ত করিয়া যাহারা সেই প্রজাগণকে এমন বশীভুত করিয়াছে, তাহাদের স্বাধীন-শাসনতন্ত্র যে কি বস্তু, তাহার শক্তি কিরূপ শক্তি—সে রাষ্ট্র যে শীঘ্রই ভাঙ্গিয়া পড়িবে, এবং ভাঙ্গিয়া পড়ার ভয়ে তাহার যে ঐ ব্রিটিশের জামুই আরও বেশি করিয়া আঁকড়াইয়া ধরিতে বাধ্য হইবে, এবং তদ্বারা সেই ব্রিটিশ সাম্রাজ্য নীতিই জয়যুক্ত হইবে—সে বিষয়ে তাহারা নি:সংশয় হইল । তাহাই হুইয়াছে। ব্রিটিশ বোধ হয় ইহাও তখন দিব্যচক্ষে দেখিতে পাইয়াছিল যে, ঐ ভারত-বিভাগের ফলে, ভারতে যুদ্ধোত্তর অবস্থার সঙ্কট দারুণতর হইয়া উঠিবে ; সেই অরাজক অবস্থায় ভারতের প্রজাগণ ঐ কংগ্রেসের প্রতিই ঘোরতর বিৰিষ্ট হইয়া উঠিবে। কিন্তু গান্ধী ও র্তাহার কংগ্রেস ইহার জন্য কিছুমাত্র উদ্বিগ্ন হয় নাই—ব্রিটিশের X \}