পাতা:জয়তু নেতাজী.djvu/২৮৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


는 88 জয়তু নেতাজী এই কাৰ্য্যে তিনি আশ্চৰ্য্যরূপ সাফল্যলাভ করিয়াছিলেন—উহাই তাহার কৰ্ম্মকুশলতা ও সাধন-বুদ্ধির শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। একদিকে তিনি জ্ঞান-বুদ্ধি ও বিচার-শক্তিকে অবজ্ঞাত করিতে পারিয়াছিলেন, অপর দিকে ঐ অন্ধশুক্তিকে সংঘবদ্ধ করিয়া একটা প্রবল শক্তির অধিকারী হইয়াছিলেন। প্রথম দিকে ঐ কংগ্রেসের নানা দল লইয়া তাছাকে কিছু বেগ পাইতে হইয়াছিল, পরে ক্রমে ক্রমে পুরাতন নেতাগণের মৃত্যু হওয়ায়, তিনিই একচ্ছত্র আধিপত্য লাভ করিয়াছিলেন ; উদীয়মান নবীন বিদ্রোহীদিগকে তিনি অতিশয় ধীরবুদ্ধি ও বিচক্ষণতার সহিত নিরস্ত করিয়াছিলেন, স্বহৃদ-ভেদ-নীতি ও নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা—এই দুইয়ের সাহায্যে সেই সংকট উত্তীর্ণ হইতে পারিয়াছিলেন, তাহ পূৰ্ব্বে বলিয়াছি । গান্ধী তাহার সেই নবধর্শ্ব-প্রচারের ঐকাস্তিক কামনায়ু আর কোন মামুষের মহত্ত্ব বা মহাপ্রাণতা-দর্শনে কিছুমাত্র বিচলিত হইতেন লা—তাহার চক্ষে ঐ এক উদ্দেপ্তসাধনের উপযোগিতা ছাড়া কাহারও কোন মূল্য ছিল না। এইজষ্ঠ তিনি যতীন দাসের সেই অপূৰ্ব্ব আত্মোৎসর্গকে তুচ্ছ করিয়াছিলেন ; এইজষ্ঠই সুভাষচন্ত্রের উপরে সীতারামাইয়াকে স্থান দিয়াছিলেন । এইজষ্ঠই তিনি তাহার সেই ধর্শ্বস্থাপনের পক্ষে কোন বাধাই মানিতেন না—ভারতব্যাপী হাহাকার, লক্ষ জীবননাশকেও তিনি গ্রাহ করেন নাই ; এই সকলই সেই এক কারণে—তাহার সেই ধর্মপ্রচারের জলস্ত উৎসাহ । সেই ধৰ্ম্মস্থাপনের জন্তই তিনি রাজনীতির ভেক ধারণ কয়িয়াছিলেন—কংগ্রেসলামক সংঘটিকে ঐ রাজনীতির দোহাই দিয়া, তিনি প্রথমে করায়ত্ত করিয়াছিলেন, পরে তাছাকেই তাহার ধৰ্ম্মচক্রে পরিণত করিয়াছিলেন। ঐ ধর্শ্বে দেশ নাই, জাতি নাই , উহাতে কোন রাজনৈতিক জয়লাভের আৰপ্তকতা নাই । তথাপি দেশে সেই