পাতা:জয়তু নেতাজী.djvu/৩০২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২৩২ জয়তু নেতাজী আসল বিরোধ। কিন্তু সুভাষকে বা সুভাষের ঐ সহিংস উপদ্রবকেও তাহার প্রয়োজন ছিল—ব্রিটিশকে ভয় দেখাইয় তাহার সহিত একটা রক্ষা করাইবার জষ্ঠ । পরে তাছাই . বড় কাজে লাগিয়াছিল । অধ্যাপক বিনয় সরকার মহাশয় এই কথাটাই বলিতে চাহিয়াছেন । গান্ধীজী তাছার অহিংসাকেই অর্থাৎ শাস্তি-পন্থাকেই জয়যুক্ত করিবার জন্ত হিংসার সাহায্য লইতে কিছুমাত্র অনিচ্ছুক ছিলেন না ; কেবল, সেই হিংসার অস্ত্র তিনি নিজে স্পর্শ করিবেন না । ৰৱং—“গান্ধীর হিংসাবাদী সহকৰ্ম্মীবা যে পাপ কবিত তাহার প্রোয়শ্চি.ে র উপায়-স্বরূপ গান্ধীর ‘অহিংসা’ ব্যবহার করা সম্ভবপর ও সুবিধাজনক ছিল। প্রয়োজন হইলে গান্ধী তাছার অহিংসা-নীতিকেও শিকায় তুলিয়া রাখিতে কুষ্ঠিত হইতেন না । দৃষ্টাস্তস্বরূপ বলা যায় যে, তিনি ১৯৪২ সালের 'ভাবত ছাড়'-প্রস্তাব সম্পর্কে তাছার অহিংসানীতিকে ছুটি দিয়াছিলেন।" অধ্যাপক সবকবি ইহার আবও দুষ্টাস্ত দিয়াছেন, যথা :– *১৯৪৭ সালের ১৫ই আগষ্ট তারিখে ভারতীয় ডোমিলিয়ন গঠিত হইলে, গান্ধী হিংসাকেই ভারত-সস্তানের পক্ষে প্রথম স্বীকার্য্য বলিয়া গ্রহণ করিলেন। সৈন্তবাহিনী, নৌবাহিনীও বিমান ৰাহিণীকে নিৰ্ব্বিবাদে ভারতীয় ডোমিনিয়নের অপরিহার্য্য অঙ্গরূপে তিনি গ্রহণ করিয়াছিলেন ।* “কি বাহিক, কি আভ্যন্তরীণ—সকল ক্ষেত্রেই হিংসার দ্বারা হিংসার প্রতিকার করিতে হইবে, এই তত্ত্ব তিনি তাহার অঙ্কিংসামন্ত্রের অন্তর্গত করিয়া লইয়াছিলেন ।” আমরা জানি, গান্ধীভক্তগণ ইহা স্বীকার করিবেন না ; বরং ইহার প্রতিবাদে, ঐ স্বাধীনতালাভের পরেও গান্ধীজী অহিংসা-ধৰ্ম্মের প্রচার ও প্রতিষ্ঠার জন্ত কি কঠিন তপস্ত করিয়াছিলেন, এবং