পাতা:জয়তু নেতাজী.djvu/৫৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


নব পুরুষ-মুক্ত »ፃ উপলক্ষ্য করিয়া, সুইনবার্ণ যেমন করিয়াছিলেন—আর একটি ঐতিহাসিক ঘটনাকে তাহার কবি-হৃদয়ের অর্থ্য নিবেদন করিবার জন্য । উভয় কবিতার মধ্যেই মানবাত্মার অপরাজেয় শক্তি ও মহিমা কীৰ্ত্তিত হইয়াছে। ইতিহাসের এক একটি পুণ্যক্ষণে যে মহাযজ্ঞের অনুষ্ঠান হইয়া থাকে –যে-যজ্ঞে সেই এক বিরাট-পুরুষ আপনাকে আহুতি দেন, যাহার হবিগন্ধে ও মন্ত্রচ্ছন্দে যজমান আমরা সেই মহাপ্রাণের সঙ্গে আমাদের প্রাণ যুক্ত করিয়া অমৃতত্ব-লোভে অধীর হই—উভয় কবি সেই একই যজ্ঞের পুরুষ-সূক্ত বচনা করিয়াছেন । আমরা দেখিয়াছি, ইংবেজ কবি এই যজ্ঞের গৃঢ় তাৎপৰ্য্য যেরূপ বুঝিয়াছেন তাতাতে এ আত্মাহুতি, ঐ মৃত্যুই অমৃতের সোপান-উঠাই আত্মার পৰম ধৰ্ম্ম ; তিনি মৃত্যুকেই মহিমাম্বিষ্ঠ কবিয়াছেন, তাহাতে পুরুষ যজ্ঞেব একদিক অতিশয যথার্থকপে প্রকাশ পাইয়াছে। রবীন্দ্রনাথ যে মুক্তটি রচনা করিযাছেন তাহাতে মৃত্যু অপেক্ষা জীবনের কথাটাই বড় হইয়াছে—সেই পুরুষ আপনার বিরাট প্রাণ ক্ষুদ্রের মধ্যে বিলাইয়া দিয়া মৃতকে পুনরুজ্জীবিত করে, চারিদিকে মহাজীবনের সাড়া পড়িয়া যায় । এখানে মৃত্যুর চিন্তাই যেন নাই, একের তপস্তায় আর সকলের সর্ববভয়, সৰ্ব্ববন্ধন খুচিবে - প্রবুদ্ধ জীবন-চেতনায় মৃত্যুর সংস্কার পর্য্যস্ত তিরোহিত হইবে। এ পুরুষের মুখে কেবল ইহাই শুনি—“আমার জীবনে লভিয়া জীবন জাগো রে সকল দেশ !” অতএব মূলে স্থষ্টাট এক হইলেও, রবীন্দ্রনাথের কবি-চিত্তে যাহার ছায়া ૨