পাতা:জয়তু নেতাজী.djvu/৬৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


있8 জয়তু নেতাজী উৎপীড়িত তাছাদের ছুঃখ ও অপমান তিমি নিজেরই দুঃখ ও অপমান ৰলিয়া মনে করিতেন । মধ্যভারতে ভ্রমণকালে তিনি একদা এক মেথর-পরিবারে কয়েকদিন ৰাস করিয়াছিলেন। এইরূপ অতি-নিম্নশ্রেণীর बtश्यद्र ब८१]७-पृiश्tद्भ1 गयit.खद्म ७८झ ५५ ॐौखं ७ शंष्ठिতাছাদের মধ্যেও, আত্মার অপূৰ্ব্ব গুচিত দেখিয়া চমৎকৃত হইতেন— সঙ্গে সঙ্গে তাছাদের সেই দুর্দশ দেখিয়া তাহার যেন শ্বাসরোধ ইত ।” ঐ যে দুর্গত, আত্মপ্রষ্ট, মহাদুঃখী ভারতের জনসাধারণ, উহাদের মধ্যেই তিনি মানব-মহত্ব আবিষ্কার করিয়াছিলেন— জীবের ভিতরে শিবকে দেখিয়াছিলেন । ইহাই দেখিবার জন্ম তিনি পরিব্রাজকবেশে ভারতের সর্বত্র ভ্রমণ করিয়াছিলেন। হিন্দু-মুসলমান, শূদ্র ও অস্ত্যজ গৃহী ও সন্ন্যাসী, পণ্ডিত-মুখ, পতিত ও পুণ্যবান, সকলের মধ্যে তিনি সেই এক ভারতীয় ভাবের বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করিয়া একটা বড় আশায় আশান্বিত হইয়াছিলেন। একদা এক রাজার সভায় এক নর্তকীর গান শুনিয়া তিনি যেন নিজেও ভাঙ্গার দ্বারা ভৎসিত হইয়াছিলেন । মামুষ যে কোন অবস্থাতেই আত্মাব শুচিতা হারায় না, সকল মানুষই যে শ্রদ্ধার যোগ্য, এ বিশ্বাস সত্ত্বেও একবার তিনি ঠকিয়াছিলেন-রাজপ্রাসাদে বাইঞ্জীর গান শুনিতে র্তাহার প্রবৃত্তি হয় নাই । বাইজী তাহ বুঝিতে পাfরয়। সাধক-কবি স্বরদাসের একটি গান এমন তন্ময় হইয়া গাহিতে লাগিল যে, স্বামীজী একেবারে অভিভূত হইয়া গেলেন। সেই পতিতা নারী গাহিতেছিল—