পাতা:জয়তু নেতাজী.djvu/৭৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


স্বামীজী ও নেতাজী రిపి নেতাজী মুখ্যত কৰ্ম্মবীর, তাহার প্রতিভার চরম নিদর্শন তাহার সেই আশ্চৰ্য্য কৰ্ম্মকুশলতা । স্বামীজীর প্রতিভা মুখ্যতঃ এইরূপ নহে, সে প্রতিভা মানুষকে জাগাইবার প্রতিভা ; তাই একজনের নাম “স্বামীজী”, অপরের নাম “নেতাজী",—দুইটিই সার্থক হইয়াছে। স্বামীজীর স্বপ্ন মানুষের আত্মার মতই বিরাট, তাহার গৌরবও স্বতন্ত্র ; নেতাজীব স্বপ্ন মামুষের দেহ-প্রাণের পরিধিতেই সীমাবদ্ধ । এই সীমাবদ্ধ করাব শক্তিও একটা বড় শক্তি, ইহাই প্রকৃত কৰ্ম্মবীবের প্রতিভা ; স্বামীজীব সে প্রয়োজন ছিল না, তিনি তখন সাক্ষাৎ কৰ্ম্ম অপেক্ষা কৰ্ম্মের প্রেরণাটাকেই মহৎ ও বিশুদ্ধ বাখিতে চাহিয়াছিলেন ; তাহার সেই বৈদাস্তিক আদর্শকে ক্ষুন্ন কবিতে পারেন নাই বলিয়া কাশ্মীরের সেই ঘটনাব পর তিনি আত্মসংহরণ বা আত্ম-সমৰ্পণ করিতে বাধ্য হইয়াছেন-—পুনবায় সেই বিরাটেব স্বপ্নে মগ্ন হইয়া হৃদয়ের জ্বালা ভুলিবার উপায় কবিয়াছিলেন । নেতাজী যেন ঠিক তাহার পবেই, ঠিক সেইখানেই উঠিয়া দাড়াইলেন—একজন যেন পাওবজ্যেষ্ঠ যুধিষ্ঠির, আব একজন গাওঁীবধম্বা সব্যসাচী ! কিন্তু স্বামীজী ও নেতাজীর মধ্যে যেখানে গভীরতর একাত্মীয়তা আছে সেইখানে দৃষ্টি নিবদ্ধ করিতে না পরিলে উভয়ের কাহাকেও আমরা সম্পূর্ণ বুঝিতে পারিব না। নেচাঙ্গ যে এক অর্থে স্বামীজীর মানস-পুত্র তাহাতে সন্দেহ নাই ; একজনের হৃদয়ে যাহা বীজরুপে ছিল আরেক জনের জীবনে তাহাই বুক্ষরূপ ধারণ করিয়াছে । তত্ত্বজ্ঞান বা মুক্তিতত্ত্বকেও