পাতা:জয়তু নেতাজী.djvu/৮১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


স্বামীজী ও নেতাজী 8 Y স্বামীজীর এত পরিচয়--'ষ্ঠাহার জীবন, কৰ্ম্ম ও বাণীর এত আলোচনা সত্ত্বেও যাহা বুঝি নাই,—কতকট। পরোক্ষ করিতে পারিলেও অপরোক্ষ করিতে পারি নাই—আজ তাহ চিত্ত্বগোচর নয়, চক্ষুগোচর করিতেছি । বিবেকানন্দের সেই বাণী ও কৰ্ম্ম কি ? প্রথমটি এই যে, শত জাতি, শত সমাজ ও শত সম্প্রদায় সত্ত্বেও ভারতবর্ষের আত্মা এক ; সেই আধ্যাত্মিক ঐক্যের উপরেই তিনি এ যুগে এক মৃতন মহাভারতের ভিত্তি স্থাপন করিয়াছিলেন ; ঐ বাণী তাহাবষ্ট বাণী, উহাই জাতীয়তার মন্ত্রবাণী । এই বাণীই নেতাজীকে অতু প্রাণিত করিয়া তাহাব, সৰ্ব্বশ্রেষ্ট কীৰ্ত্তিকে সম্ভব করিয়াছে । স্বামীজীর সেই অধ্যাত্মদৃষ্টিষ্ট নেতাজার বাস্তব দৃষ্টি হইয়া উঠিয়াছে, তিনিও সৰ্ব্বজাতি ও সৰ্ব্বসম্প্রদায়ের ভেদ ঘূচাৰ্চয়', স্বামীজীব সেই ধ্যানলব্ধ ‘মহাভারত’কে সাকার করিয়া তুলিয়াছেন । স্বামীজীর অপর শ্রেষ্ঠ কীৰ্ত্তি কৰ্ম্মের প্রাথমিক প্রেরণাটি ধৰাষ্টয়া দেওয়। ভারতের মুক্তি-সংগ্রামের সেই প্রত্যক্ষ প্রয়োজনটি এমন করিয়া আর কেহ উপলব্ধি কবে নাই ! এ বস্তুটি তিনি, ধ্যানে নয়—প্রাণে লাভ কবিয়াছিলেন। সে কথা পূৰ্ব্বে বলিয়াছি, আর একবার বলি । তিনি তখন পবিত্ৰাঞ্জকের বেশে সারা ভারত পর্য্যটন করিতেছিলেন—কপদকহীন সন্ন্যাসী, নাম পৰ্য্যন্ত ত্যাগ করিয়া তিনি সেই বিশাল জনসমুদ্রে যেন আপনাকে আপনি হারাইয়া গিয়াছিলেন । কলিকাতার গুরুভাইগণ কোন সংবাদই জানিতেন না, তথাপি এ বিশ্বাস তাহাদের ছিল যে, তিনি হিমালয়ের কোন