পাতা:জয়তু নেতাজী.djvu/৯৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গান্ধীজী ও নেতাঞ্জী & © থাকিতে সে কখনও এদেশের প্রভু হইতে পারবে না-শত মীরকাসেম, শত টপুসুলতানকে সিংহাসনচু্যত করিলেও ঐ শক্তিকে সে সিংহাসনচু্যত করিতে পারিবে না—না পারিলে, এ দেশে রাজত্ব করার যে মূল অভিপ্রায় তাহাও সিদ্ধ হইবে না, ইহ। সে মৰ্ম্মে মৰ্ম্মে বুঝিয়াছিল । অতঃপর সে কোন উপায় অবলম্বন করিল, তাহা পূর্বে বলিয়াছি ; ইংরেজের মনস্কামনা পূর্ণ হইল, এ জাতির স্বাধীনতার সেই শেষ আশ্রয়টুকুও আর বছিল না, উনবিংশ শতাব্দী শেষ না হইতেই এদেশ সত্যই পরাধীন হইল । এখানে একটা কথা আবাব বলি । আমি এ জাতির পুর্বল স্বাধীনতার যে স্বরূপ ও অবস্থার কথা বলিয়াছি, তাহ। আজিকার আদর্শে কতটুকু বা কোন অর্থে সত, সে প্রশ্ন নিতান্তই অবাস্তর । স্বাধীনতারও ভিন্ন আদর্শ অবশুই আছে ; প্রতীচা আদর্শ, প্রাচ্য আদর্শ, তথা ভারতীয় আদর্শ যে একরূপ হইবে না, ইহাই সত্য । প্রত্যেক জাতিকে তাহাৰ নিজস্ব ঐতিহ্য, তাহাব সাধন ও অন্তরলব্ধ নিঃশ্রেয়সের মানদণ্ডে বিচার করা কৰ্ত্তব্য । মানুষের সকল আদর্শ ই আপেক্ষিক, কোনটাই নিরপেক্ষ সত্য নহে । স্বাধীনতার আসল অভিব্যক্তি অস্তরে, সেই অন্তরের দিক দিয়া উহার স্বরূপ বিচার করিতে হইবে । প্রত্যেক জাতি বা সমাঞ্জ, কোন না কোন উপায়ে তাহার সেই স্বাধীনতা রক্ষা করিয়া থাকে, না পারিলে সেই সমাজ ও জাতি ইতিহাসের পৃষ্ঠা হইতে লুপ্ত হইয়া যায়। ভারতীয় জাতি