পাতা:জয়তু নেতাজী.djvu/৯৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গান্ধীজী ও নেতাজী 4 సి. প্রসঙ্গে স্মরণীয় । অতএব একটা জাতির ধৰ্ম্ম ও মনুষ্যত্ব যদি এমন ভাবে নষ্ট করা সম্ভব হয,-- তাহার নিরক্ষর জনগণ তইতে অপেক্ষাকৃত চতুর ও বুদ্ধিমান ব্যক্তিগুলিকে পৃথক করিয়া, এবং তাহাদের সাহায্যেই অপরগুলিকে শোষণ করিয়া, স্বজাতির ধন ভাণ্ডার, লোষ্ট্রবাশির মত, স্বর্ণরাশির দ্বারা পূর্ণ করা যায়, তবে অভিপ্রায়-সিদ্ধিৰ বাকি কি রহিল ? আমাদের তথাকথিত শিক্ষিত সম্প্রদায় র্যাহার ক’গ্ৰেসনামক জাতীয মহাসভার পত্তন করিয়াছিলেন, র্তাহারা নিশ্চয়ই স্বাধীনত চান নাই, ইংবেজেব এই শোষণ-নীতিৰ বিরুদ্ধে সংগ্রাম কবেন নাই – সে জ্ঞানহ তাঙ্গাদেব ছিল না । এই শোষণ-নীতি যপন ধর। প ডল, তখনও তাহা নিবাবণের উপায কি ? ষ্ট’বেজের সঙ্গে কোন রাজনৈতিক রফা বা চুক্তি ? কথাটা এইখানেই তুলিলাম, •ার কারণ, আমবা স্বাধীনতা শব্দটি আজকাল বড় বেশি ব্যবহাব কবিeেfছ, অথচ বেশ বুঝিতে পারা যায, জনগণ যাহাই বুঝুক—নেতাবা শেষ পৰ্য্যন্ত একটা চুক্তি করতেই চান। সঙ্গ চুক্তি বা রফা করিতে হইলে ইংরেজকে তাহাব ভাবত-শাসন-ন ‘তিত ত্যাগ করিতে হয়, তাহাব বাজত্বের কোন প্রয়োজনই থাকে না । রাজত্বের জন্যই সে বাজত্ব চায না, সে চায় ভাবতের ধন-ইবণ ; তাঙ্গা করিতে হইলে ভারতের দারিদ্র্যমোচন ত' নহেক্ট, সেই দারিদ্রোব মাত্র এমন হওয়া চাই, যাহাতে তাহার বিদ্রোহ করিবাৰ সামর্থ্যই না থাকে। এ ভেদনীতি এবং এই দারিদ্র্য,