বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:জয় পরাজয় - পাঁচকড়ি দে.pdf/৬

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

R জয় পরাজয় । সে সময়ে রেল ছিল না ; সুতরাং কেহ পান্ধীতে আসিতেন, কেহ। নোকায় আসিতেন, কেহ ঘোড়ায়, কেহ বা হ’তীতে আসিতেন । কিন্তু যে বৎসরের কথা বলিতেছি, সে বৎসর উপযুপরি তিন-চারিটি ডাকাতি श्व् । অন্যান্য ডাকাতির ন্যায় এ সেরূপ ডাকাতি নহে ; প্রত্যেক ডাকাতিই মুর্শিদাবাদ হইতে সাত-আট ক্রোশ দূরে, পথের কোন নিজন স্থানে সমাধা হয়। এই ডাকাতিতে ডাকাতের দল নাই, কেবল একজনমাত্ৰ অশ্বারোহী আসিয়া গভীর রাত্রে মুর্শিদাবাদ যাত্ৰী বড়লোক-পথিকের পান্ধী, ঘোড়া বা হাতী দাড় করাইয়া দুই হাতে দুইটা পিস্তল লক্ষ্য করে ; তখন প্রাণভয়ে সেই পথিক জহরতাদি সেই অশ্বারোহীকে প্ৰদান করিতে বাধ্য হয়, আর অশ্বারোহী নিমেষমধ্যে আদশ্য হইয়া যায়। এই ব্যাপার লইয়া মুর্শিদাবাদ অঞ্চলে এক ঘোরতর আন্দোলন চলিয়ছে-সকলের মুখেই সেই এক ডাকাতের কথা ; কিন্তু এ পৰ্য্যন্ত কেহই ডাকাত ধরিতে পারিল না ; ডাকাতিও বন্ধ হইল না। এই সময়ে আমি মুর্শিদাবাদে একটা আত্মীয়ের বাড়ীতে ছিলাম ; আমাদের মধ্যেও সর্বদা এই ডাকাতি সম্বন্ধে কথাবাৰ্ত্ত হইত। এক মাসের মধ্যে চারিবার এইরূপ ডাকাতি হইয়াছে ; প্রথম জঙ্গীপুরের জমিদারের, তাহার পর কান্দিরের, তাহার পর মালদহের এক জমিদারের ; তাহার পর এক সপ্তাহ হইল, কাটোয়ার এক জর্ণ “র উপর এইরূপ রাহাজনী হইয়াছে। প্ৰতিবারেই সেই পিৎ • অশ্বারোহী-সেই নিৰ্জন পথ-এবং সঙ্গের লোকজন কিছু , পড়িয়াছে । যখন মুর্শিদাবাদ অঞ্চলে এই ডাকাতির জন্য তোলপাড় হ সেই সময়ে নলহাটী হইতে রণেন্দ্ৰপ্ৰসাদ নামে এক ধনী যুবক ও