লোকানান্তু বিবৃদ্ধ্যর্থং মুখ বাহুরূপাদতঃ।
ব্রাহ্মণং ক্ষত্রিয়ং বৈশ্যং শূদ্রঞ্চ নিরবর্ত্তয়ৎ॥
ঈশ্বর লোকের বুদ্ধির নিমিত্ত মুখ বাহু ঊরু ও পদদ্বয় হইতে ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য ও শূদ্রকে প্রকাশ করিলেন।
মহাভারতেও এই জাতি সৃষ্টির বিবরণের প্রতিধ্বনি প্রাপ্ত হওয়া যায়। যথা;—
পুরুরবা উবাচ। কুতশ্চিৎ ব্রাহ্মণো জাতো, বর্ণাশ্চাপি কুতস্ত্রয়ঃ। কস্মাচ্চ ভবতি শ্রেষ্ঠ স্তন্মে ব্যাখ্যাত মর্হসি। মাতরিশ্বোবাচ। ব্রাহ্মণো মুখতঃ সৃষ্টো ব্রহ্মণো রাজসত্তম। বাহুভ্যাং ক্ষত্রিয়ঃ সৃষ্ট ঊরুভ্যাং বৈশ্য এবচ। বর্ণানাং পরিচর্য্যার্থং ত্রয়ানাং ভরতর্ষভ, বর্ণশ্চতুর্থ: সম্ভূতঃ পদ্ভ্যাং শূদ্রো বিনির্ম্মিতঃ।” মহাভারত, শান্তিপর্ব্ব।
ইহার অর্থ;—পুরুরবা জিজ্ঞাসা করিলেন,—“ব্রাহ্মণ কোথা হইতে উৎপন্ন হইল, এবং অপর তিন বর্ণই বা কিরূপে সৃষ্ট হইল? আর কেনই বা ব্রাহ্মণ সকলের শ্রেষ্ঠ হইলেন, তাহা অনুগ্রহ করিয়া বর্ণন করুন। মাতরিশ্বা বলিলেন। হে রাজসত্তম! ব্রাহ্মণ ব্রহ্মের মুখ হইতে সৃষ্ট হইয়াছেন, বাহুদ্বয় হইতে ক্ষত্রিয় সৃষ্ট হইয়াছেন এবং ঊরুদ্বয় হইতে বৈশ্য সৃষ্ট হইয়াছেন; এবং হে ভরতর্ষভ পূর্ব্বোক্ত তিন বর্ণের পরিচর্য্যার্থ চতুর্থ বর্ণ শূদ্র পদদ্বয় হইতে নির্ম্মিত হইয়াছে।” এই সমুদয় বচন পূর্ব্বোক্ত পুরুষ সূক্তের বর্ণনানুসারে লিখিত হইয়াছে। কিন্তু পূর্ব্বেই উক্ত হইয়াছে পুরুষ