বর্ষকে দরিদ্র করিয়াছে। এই প্রথা নিবন্ধন সমুদ্র যাত্রা নিষিদ্ধ হইয়াছে সুতরাং বাণিজ্যের উন্নতি হইতে পারে নাই। সমুদ্রযাত্রা ব্যতীত আজ পর্য্যন্ত কোন্ দেশ কবে বাণিজ্য বিষয়ে উন্নতি লাভ করিয়াছে? বোম্বাই নগরে গিয়া দেখ এদেশের লোকে কত কাপড়ের কল চালাইতেছেন। তাঁহারা প্রতিদিন রাশি রাশি সুতার নুটী প্রস্তুত করিয়া তাঁহাদের কারখানাতে স্তূপাকার করিতেছেন। কিন্তু সেই সকল সুতার নুটী কোথায় বিক্রয় হইতেছে? কেন, বোম্বাইয়ের বাজারে। কে ক্রয় করিতেছে? কেন ইউরোপীয় বণিকগণ ঐ সকল সুতা ক্রয় করিয়া চীন, জাপান প্রভৃতি দেশে গিয়া বিক্রয় করিয়া আসিতেছে। একজনেরা সুতা প্রস্তুত করিল, দ্বিতীয় ব্যক্তি আসিয়া সেইগুলি লইয়া আর একজনের নিকট বিক্রয় করিয়া লাভ করিয়া গেল। জাতিভেদ প্রথা থাকাতে প্রথমোক্ত ব্যক্তি সে লাভ করিতে পারিলেন না। এই জন্য ভারতবাসীদের এত দারিদ্র্য।
চতুর্থতঃ, এই প্রথা নিবন্ধন এদেশের লোকের এত শারীরিক ও মানসিক দুর্ব্বলতা। জাতিভেদ প্রথা নিবন্ধন আমাদের বিবাহ সম্বন্ধ ক্রমেই সঙ্কীর্ণ হইতে সঙ্কীর্ণতর সীমার মধ্যে বদ্ধ হইয়াছে; রক্তের বিমিশ্রণ হইতে পারে নাই। ইহা একটী প্রাণি জগতের পরীক্ষিত সত্য যে অল্প পরিসর ক্ষেত্রের মধ্যে যদি ক্রমাগত বিবাহ সম্বন্ধ ঘটিতে থাকে, তাহা হইলে সে জাতি ত্বরায় হীন তেজ