পাটী দন্ত বিশিষ্ট অপর সকল প্রাণী এবং গো মেষ অজা প্রভৃতি উৎপন্ন হইল। * * * *
* * * ইহাঁর মুখই ব্রাহ্মণ হইল; বাহুদ্বয় ক্ষত্রিয়রূপে পরিণত হইল; বৈশ্য যাহা দেখিতেছ, ইহাই তাঁহার ঊরূ এবং পদদ্বয় হইতে শূদ্র উৎপন্ন হইল।”
ঋগ্বেদের পূর্ব্বোক্ত সূক্তটীর ভাষা দেখিয়াই সামান্য সংস্কতজ্ঞ ব্যক্তিগণ বুঝিতে পারিতেছেন, যে ইহা আধুনিক সংস্কৃত। ঋগ্বেদের অন্যান্য মন্ত্রের ভাষা আধুনিক সংস্কৃতের অনুযায়ী নহে। টীকাকারদিগের বিশেষ সাহায্য লইয়াও তাহার অর্থ বোধ অনেক সময় দুষ্কর। তাহার ব্যাকরণ বিভিন্ন, তাহার ছন্দ বিভিন্ন এবং তাহার অধিকাংশ শব্দ বর্ত্তমান সময়ে অপ্রচলিত। দৃষ্টান্ত স্বরূপ ঋগ্বেদের প্রথম মন্ত্রটী পাঠ করুন।
“অগ্নি মীলে পুরোহিতং যজ্ঞস্য দেব মৃত্বিজং। হোতারং রত্নধাতমং।”
আধুনিক সংস্কৃত যাঁহারা জানেন তাঁহারা টীকাকারের সাহায্য ব্যতীত সহজে এই মন্ত্রের অর্থ গ্রহণ করিতে পারিবেন না। ঋগ্বেদের অধিকাংশ মন্ত্রের ভাষা এইরূপ দুর্বোধ। কিন্তু পুরুষ সূক্ত হইতে যে অংশটুকু উদ্ধৃত করা গিয়াছে তাহা কেমন সুবোধ আধুনিক সংস্কৃতের নিয়মানুষায়ী। ইহা দেখিয়াই একজন অনুমান করিতে পারেন, যে এই অংশটুকু অপরাপর মন্ত্রের অনেক পরে রচিত হইয়া থাকিবে। মোক্ষ-