বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:জাতীয় সাহিত্য - আশুতোষ মুখোপাধ্যায় (১৯৩৬).pdf/১৬২

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
১৪৪
জাতীয় সাহিত্য









     হেমচন্দ্র—১৮৩৮-১৯০৩; “বৃত্রসংহারের কবি।”
     বঙ্কিম—১৮৩৮-১৮৯৪; বাঙ্গলা সাহিত্যের “সম্রাট”।
     দীনবন্ধু—১৮২৯-১৮৭৩; কবি ও নাট্যকার; হাস্যরসের জন্য বিখ্যাত, “নীলদর্পণে”র নাম বাঙ্গলার ইতিহাসে স্মরণীয়।

    ত্রিশ কোটী—১৯৩১-এর আদমসুমারীতে ভারতের লোকসংখ্যা ৩৫,২৮,৩৭,৭৭৮।

    তেঁতুলের পাতার ঝোল—নবদ্বীপের প্রসিদ্ধ পণ্ডিত বুনো রামনাথ কৃষ্ণনগরের মহারাজকে প্রশ্নের উত্তরে বলিয়াছিলেন যে তাঁহার কোনও অভাব নাই—ক্ষেতে ধান আছে আর গৃহিণী তেঁতুলের ঝোল রাঁধেন, তাহাতেই পরিতৃপ্তি। স্বল্পে-সন্তুষ্ট বিদ্যানুরাগী ব্রাহ্মণের আদর্শ।

    ১০ সাত-আটটি বিশ্ববিদ্যালয়—এখন আঠারটি।

    ১১ সরস্বতীর ধ্যানের শেষ চরণ।

    ১২ দাশরথি রায়।

    ১৩ সংস্কৃতভাষার বাক্যভঙ্গির আদর্শে।

    ১৪ পারাঞ্জপে (জন্ম ইং ১৮৭৬)—মহারাষ্ট্রদেশীয় বিখ্যাত গণিতজ্ঞ পণ্ডিত। গোখ্‌লে (১৮৬৬-১৯১৫)—ভারত সেবক-সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা; মহারাষ্ট্রের অধিবাসী; ভারতীয় সরকারের আয়ব্যয়ের নিপুণ ও কঠোর সমালোচক; নির্ভীক, আড়ম্বরশূন্য, সংসারে নিস্পৃহ, হিসাব-পরীক্ষায় সূক্ষ্মবুদ্ধি, প্রকৃত দেশসেবক। রানাডে (১৮৪২-১৯০১)—মারাঠা ব্রাহ্মণ; বোম্বাই হাইকোর্টের অন্যতম জজ; নানা বিদ্যায় সুপণ্ডিত, সংস্কার-আন্দোলনের বিশিষ্ট সমর্থক; পুণার সার্ব্বজনিক সভা ও প্রার্থনা-সমাজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। রামমোহন (১৭৭৪-১৮৩৩)—নানা শাস্ত্রে সুপণ্ডিত, ব্রহ্মোপাসনার