হেমচন্দ্র—১৮৩৮-১৯০৩; “বৃত্রসংহারের কবি।”
বঙ্কিম—১৮৩৮-১৮৯৪; বাঙ্গলা সাহিত্যের “সম্রাট”।
দীনবন্ধু—১৮২৯-১৮৭৩; কবি ও নাট্যকার; হাস্যরসের জন্য বিখ্যাত, “নীলদর্পণে”র নাম বাঙ্গলার ইতিহাসে স্মরণীয়।
৮ ত্রিশ কোটী—১৯৩১-এর আদমসুমারীতে ভারতের লোকসংখ্যা ৩৫,২৮,৩৭,৭৭৮।
৯ তেঁতুলের পাতার ঝোল—নবদ্বীপের প্রসিদ্ধ পণ্ডিত বুনো রামনাথ কৃষ্ণনগরের মহারাজকে প্রশ্নের উত্তরে বলিয়াছিলেন যে তাঁহার কোনও অভাব নাই—ক্ষেতে ধান আছে আর গৃহিণী তেঁতুলের ঝোল রাঁধেন, তাহাতেই পরিতৃপ্তি। স্বল্পে-সন্তুষ্ট বিদ্যানুরাগী ব্রাহ্মণের আদর্শ।
১০ সাত-আটটি বিশ্ববিদ্যালয়—এখন আঠারটি।
১১ সরস্বতীর ধ্যানের শেষ চরণ।
১২ দাশরথি রায়।
১৩ সংস্কৃতভাষার বাক্যভঙ্গির আদর্শে।
১৪ পারাঞ্জপে (জন্ম ইং ১৮৭৬)—মহারাষ্ট্রদেশীয় বিখ্যাত গণিতজ্ঞ পণ্ডিত। গোখ্লে (১৮৬৬-১৯১৫)—ভারত সেবক-সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা; মহারাষ্ট্রের অধিবাসী; ভারতীয় সরকারের আয়ব্যয়ের নিপুণ ও কঠোর সমালোচক; নির্ভীক, আড়ম্বরশূন্য, সংসারে নিস্পৃহ, হিসাব-পরীক্ষায় সূক্ষ্মবুদ্ধি, প্রকৃত দেশসেবক। রানাডে (১৮৪২-১৯০১)—মারাঠা ব্রাহ্মণ; বোম্বাই হাইকোর্টের অন্যতম জজ; নানা বিদ্যায় সুপণ্ডিত, সংস্কার-আন্দোলনের বিশিষ্ট সমর্থক; পুণার সার্ব্বজনিক সভা ও প্রার্থনা-সমাজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। রামমোহন (১৭৭৪-১৮৩৩)—নানা শাস্ত্রে সুপণ্ডিত, ব্রহ্মোপাসনার