পাতা:জীবন-স্মৃতি - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১০০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


○ や জীবন-স্মৃতি । পরিতে আমার মনে মনে আপত্তি ছিল। গাড়িতে উঠিয়াই পিতা বলিলেন, মাথায় পর । পিতার কাছে যথারীতি পরিচ্ছন্নতার ক্রটি হইবার জো নাই । লজ্জিত মস্তকের উপর টুপিট পরিতেই হইল। রেলগাড়িতে একটু স্থযোগ বুঝিলেই টুপিটা খুলিয়। রাখিতাম । কিন্তু পিতার দৃষ্টি একবারও এড়াইত না । তখনি সেটাকে স্বস্থানে তুলিতে হইত। ছোট হইতে বড় পৰ্য্যন্ত পিতৃদেবের সমস্ত কল্পনা এবং কাজ অত্যন্ত যথাযথ ছিল । তিনি মনের মধ্যে কোনো জিনিষ ঝাপ্‌স রাখিতে পারিতেন না, এবং তাহার কাজেও যেমন-তেমন করিয়া কিছু হইপার জো ছিল না । তাহার প্রতি অন্যের এবং অন্যের প্রতি তাহার সমস্ত ক দ্ৰব্য অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট ছিল । BBBBB BBBB BBBBB BBBB BBBS BBBBS SBBBBB হওয়াকে আমর! ধৰ্মবোর মধ্যেই গণ্য করি না । সেইজন্য তাহার সঙ্গে বাবBB BBBB BBBBB BB B DB S BBBB BBBBB BBBS BBBBB হইলে হয়ত কিছু ক্ষতি বৃদ্ধি ন হইতে পারে, কিন্তু তাতাতে ব্যবস্থার যে লেশমাত্র নড়চড় ঘটে সেই থানে তিনি আঘাত পাইতেন । তিনি যাহ। সঙ্কল্প করিতেন তাহার প্রত্যেক অঙ্গ প্রত্যঙ্গ তিনি মনশ্চক্ষুতে স্পষ্টরূপে প্রত্যক্ষ করিয়া লইতেন । এইজন্য কোনে ক্রিয়াকৰ্ম্মে কোন জিনিষটা ঠিক্‌ কোথায় থাকিবে, কে কোথায় বসিবে, কাহার প্রতি কোন কাজের কতটুকু ভার থাকিবে সমস্তই তিনি আগাগোড়া মনের মধ্যে ঠিক্‌ করিয়া লইতেন এবং কিছুতেই কোনো অংশে তাহার অনাথ হইতে দিতেন না । তাহার পরে সে কাজটা সম্পন্ন হইয় গেলে নানা লোকের কাছে তাহার বিবরণ শুনিতেন । প্রত্যেকের বর্ণনা মিলাইয়া লইয়। এবং মনের মধ্যে জোড়া দিয়া ঘটনাটি তিনি স্পষ্ট করিয়া দেখিতে চেষ্টা করিতেন । এই সম্বন্ধে আমাদের দেশের জাতিগত ধৰ্ম্ম তাহার একেবারেই ছিল না । তাহার সঙ্গল্পে, চিন্তায়, আচরণে ও অনুষ্ঠানে তিলমাত্র শৈথিল্য ঘটিবার উপায় থাকিত না । এই জন্য হিমালয়যাত্রায় তাহার কাছে যতদিন ছিলাম একদিকে আমার প্রচুরপরিমাণে স্বাধীনতা ছিল অন্যদিকে সমস্ত আচরণ আলস্যরূপে নির্দিষ্ট ছিল । যেখানে তিনি