পাতা:জীবন-স্মৃতি - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৫৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ᎼᏔᎼb← জীবন-স্মৃতি । চাঞ্চল্য একেবারে খামিয়া গিয়াছে, মৃদুরবিস্তুত বালুকারাশির প্রান্তে তরুশ্রেণীর ছায়াপুঞ্জ নিম্পন্দ, দিকচক্রবালে নীলাভ শৈলমাল পাণ্ডুরনীল আকাশতলে নিমগ্ন । এই উদার শুভ্রতা এবং নিবিড় স্তব্ধতার মধ্য দিয়া আমরা কয়েকটি মানুষ কালো ছায়া ফেলিয়া নীরবে চলিতে লাগিলাম । বাড়িতে যখন পৌছিলাম তখন ঘুমের চেয়েও কোন গভীরতার মধ্যে আমার ঘুম ডুবিয়া গেল। সেই রাত্রেই যে কবিতাটি লিখিয়ছিলাম তাহা মৃদুর প্রবাসের সেই সমুদ্রতীরের একটি বিগত রজনীর সহিত বিজড়িত। সেই স্মৃতির সহিত তাহাকে বিচ্ছিন্ন করিয়া পাঠকদের কেমন লাগিবে সন্দেহ করিয়া মোহিতবাবুর প্রকাশিত গ্রন্থাবলীতে ইহা ছাপানো হয় নাই। কিন্তু আশা করি জীবনস্মৃতির মধ্যে তাহাকে এইখানে একটি আসন দিলে তাহার পক্ষে অনধিকারপ্রবেশ হইবে না । 鶯 যাই যাই ডুবে যাই, আরো আরো ডুবে যাই বিহবল তাবশ অচেতন । কোন খানে কোন দূরে, নিশীপের কোন মাঝে কোথ! হয়ে যাই নিমগন । হে ধরণী, পদতলে দিয়োনা, দিয়োনা বাধা, দাও মোরে দাও ছেড়ে দাও ! অনন্ত দিবসনিশি এমনি ডুবিতে থাকি তোমরা স্থদূরে চলে যাও ! তোমরা চাহিয়া থাক, জোৎস্নাঅমৃতপানে বিহবল বিলীন তারাগুলি ; অপার দিগন্g ওগো থাক এ মাথার পরে দুই দিকে দুই পাখা তুলি ! গান নাই, কথা নাই, শব্দ নাই, স্পর্শ নাই, নাই ঘুম নাই জাগরণ,—