পাতা:জীবন-স্মৃতি - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৬১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্রকৃতির প্রতিশোধ । ›ዓ » তুচ্ছতা ও অসীমের মিথ্য শূন্যতা দূর হইয়া গেল । আমার নিজের প্রথম জীবনে আমি যেমন একদিন আমার অন্তরের একটা অনিৰ্দ্দেশ্যতাময় তান্ধকার গুহার মধ্যে প্রবেশ করিয়া বাহিরের সহজ অধিকারটি হারাইয়া বসিয়াছিলাম, অবশেষে সেই বাহির হইতেই একটি মনোহর তালোক হৃদয়ের মধ্যে প্রবেশ করিয়া আমাকে প্রকৃতির সঙ্গে পরিপূর্ণ করিয়া মিলাইয় দিল—এই প্রকৃতির প্রতিশোধেও সেই ইতিহাসটিই একটু অন্য রকম করিয়া লিখিত হইয়াছে। পরবর্তী আমার সমস্ত কাব্যরচনার ইঙ্গও একটা ভূমিকা। আমার ত মনে হয় আমার কাব্যরচনার এই একটিমাত্র পাল । সে পালার নাম দেওয়t BBB BB BBB BBB DBBB BBB BBB BBBB BBS BB ভাবটাকেই তামার শেস বয়সের একটি কবিতার ছত্রে প্রকাশ করিয়াছিলাম ঃ– “বৈরাগা সাধনে মুক্তি সে আমার নয়।” তখনে “তালোচনা" নাম দিয়া যে ছোট ছোট গদ্য প্রবন্ধ বাহির করিয়াছিলাম তাহার গোড়ার দিকেই প্রকৃতির প্রতিশোধের ভিতরকার ভাবটির একটি তত্ত্বব্যাথা লিখিতে চেষ্টা করিয়াছিলাম। সীমা যে সীমাবদ্ধ নহে, তাহা যে অতল স্পর্শ গভীরতাকে এককণর মধ্যে সংহত করিয়া দেখাইতেছে ইহ লইয়া আলোচনা করা হইয়াছে । তত্ত্বহিসাবে সে ব্যাখ্যার কোনো মূল্য আছে কিন, এবং কাবাহিসাবে প্রকৃতির প্রতিশোধ-এর স্থান কি তাহ জানি না—কিন্তু আজ স্পট দেখা যাইতেছে এই একটিমাত্র আইডিয়৷ অলক্ষা ভাবে নানা লেশে আজ পর্মান্ত আমার সমস্ত রচনাকে অধিকার করিয়া আসিয়াছে । কারোয়ার হইতে ফিরিবার সময় জাহাজে প্রকৃতির প্রতিশোধ-এর কয়েকটি গান লিথিয়াছিলাম। বড় একটি আনন্দের সঙ্গে প্রথম গানটি জাহাজের ডেকে বসিয়া সুর দিয়া দিয়া গাহিতে গতিতে রচনা করিয়াছিলাম— হ্যাদেগো নন্দরামী--- তামাদের শ্যামকে ছেড়ে দাও—