পাতা:ঠাকুরমার ঝুলি.djvu/২২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

浚 —দুধের সাগর কিন্তু, রাজার মনে সুখ ছিল না । সাতরাণী, এক রাণীরও সন্তান হইল না। রাজা, রাজ্যের সকলে মনের দুঃখে দিন কাটেন। একদিন রাণীরা নদীর ঘাটে সুন্নান করিতে গিয়াছেন,-এমন সময় এক সন্ন্যাসী যে, বড়রাণীর হাতে একটি গাছের শিকড় দিয়া বলিলেন,-“এইটি বাটিয়া সাত রাণীতে খাইও, সোনার চাঁদ ছেলে হইবে।” রাণীরা, মনের আনন্দে তাড়াতাড়ি সুান করিয়া আসিয়া, কাপড়-চোপড় ছাড়িয়া, গা-মাথা শুকাইয়া, সকলে পাকশালে গেলেন। আজি বড়রাণী ভাত রাধিবেন, মেজরাণী তরকারি কাটিবেন, সেজরাণী ব্যঞ্জন রাধিবেন, না-রাণী জল তুলিবেন, কনেরাণী যোগান দিবেন, দুয়োরিাণী বাটুনা বাটিবেন, আর ছোটরাণী মাছ কুটিবেন । পাঁচ রাণী পাকশালে রহিলেন ; না-রাণী কুয়োর পাড়ে গেলেন; ছোটরাণী পাঁশগাদার পাশে মাছ কুটিতে বসিলেন। সন্ন্যাসীর শিকড়টি বড়রাণীর কাছে। বড়রাণী দুয়োরিাণীকে ডাকিয়া বলিলেন, —“বোন, তুই বাটনা বাটবি, শিকড়টি আগে বাটিয়া দে না, সকলে একটু একটু খাই ।” দুয়োরাণী শিকড় বাটিতে বাটিতে কতকটুকু নিজে খাইয়া ফেলিলেন। তাহার পর, রূপার থালে সোণার বাটি দিয়া ঢাকিয়া, বড়রাণীর কাছে দিলেন। বড়রাণী ঢাকৃনা খুলিতেই আর কতকটা খাইয়া মেজরাণীর হাতে দিলেন। মেজরাণী খানিকটা খাইয়া, সেজরাণীকে দিলেন । সেজরাণী কিছু খাইয়া, কনেরাণীকে দিলেন। কনেরাণী বাকীটুকু খাইয়া ফেলিলেন । না-রাণী আসিয়া s - No k:

  • “দুধের সাগর’—ছবি ও কবিতা ২৪ ও ২৫। পৃষ্ঠায়