পাতা:ঠাকুরমার ঝুলি.djvu/২৫০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

ঠাকুরমা’র বুলি 浚 NIK শেষে কোন মতে তো হাসি থামুক ; চোরেরা বলিল,- “চল রে চল আড়াইয়ের বাড়িতে যাই।” দেড় আঙ্গুলে’ জিজ্ঞাসা করিল,-“আড়াইয়ে কে ভাই ?” “তুই হ’লি দেড়কে, তুই জানিসূ নে ? ওপারে আড়াইয়ে এক কামার আছে, সাড়ে সাতটা সিন্দ-কাটী দিবে, ব্যাটা রোজ ফাকি দেয়, আজ সেই বুড়োকে দেখা’ব ।” দেড় আঙ্গুলে’ দেখিল,-ওরে !! তা’র সঙ্গে আমার মিতালী, তা’রি ঘরে সিদ দেবে ?-বলিল - “ও ভাই ! সে বাড়ী যাস নি, সে বাড়ীতে আছে শাকচুণী ; ঘাড়টি ভেঙ্গে রক্ত খাবে, সাড়ে সাত গুষ্টি এক্কেবারে যাবে। তা’ তো নয়, রাজকন্যা বিয়ে করিস তো, রাজার বাড়ী চল ?” চোরেরা “হি হি হি ! হে হে হে! হৈ হৈ হৈ ! সে তো ভালই, সে তো ভালই ?” তা রাজার জামাই হবে, তা’রা কি যে সে । গোফে তা. গায়ে মোড়ান চোড়ান, বলিল,-“তা সেখানে যেতে উথালি পাতাল তের নদীর জল ।” দেড় আঙ্গুলে’ বলিল,-“কেন, এই যে ওপার যাচ্ছিলি ?” “যাচ্ছিলুম তো যাচ্ছিলুম করতে যেভূমি চুরি,= e রাজার জামাই হব, তাও দিয়ে আপন কড়ি ?” দেড় আঙ্গুলে’ বলিল,-“আচ্ছা, একটা কড়ি আছে, নিয়ে চল ܦܐܬܐ ܪ} יין ※ ২৬৩