পাতা:ঠাকুরমার ঝুলি.djvu/৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

ঠাকুরমা’র বুলি গ্ৰন্থকারের নিবেদন এক দিনের কথা মনে পড়ে, দেবালয়ে আরতির বাজনা বাজিয়া, বাজিয়া থামিয়া গিয়াছে, মা’র আঁচলখানির উপর শুইয়া রূপকথা শুনিতেছিলাম । “জোচ্ছনা। ফুল ফুটেছে”।* ; মা’র মুখের এক একটি কথায় সেই আকাশ-নিখিল-ভরা জ্যোৎস্নার রাজ্যে, জ্যোৎস্নার সেই নিৰ্ম্মল শুভ্র পটখানির উপর পালে পলে কত বিশাল “রাজ-রাজত্ব”, কত “আছিল। অভিনূ” রাজপুরী, কত চিরসুন্দর রাজপুত্র রাজকন্যার অবর্ণনীয় ছবি আমার শৈশব চক্ষুর সামনে সত্যকারটির মত হইয়া ফুটিয়া উঠিয়াছিল। সে যেন কেমন—কতই সুন্দর! পড়ার বইখানি হাতে নিতে নিতে ঘুম পাইত ; কিন্তু সেই রূপকথা তা’রপর তা’রপর তারপর করিয়া কত রাত জাগাইয়াছে ! তা’রপর শুনিতে শুনিতে শুনিতে শুনিতে, চোখ বুজিয়া আসিত —সেই অজানা রাজ্যের সেই অচেনা রাজপুত্র সেই সাতসমূদ্র তের নদীর ঢেউ ক্ষুদ্র বুকখানির মধ্যে স্বপ্নের ঘোরে খেলিয়া বেড়াইত,-আমার মত দুরন্ত শিশু !—শান্ত হইয়া ঘুমাইয়া পড়িতাম। বাঙ্গালার শ্যামপল্লীর কোণে কোণে এমনি আনন্দ ছিল, এমনি আবেশ ছিল। মা আমার অফুরণ রূপকথা বলিতেন। —জানিতেন। বলিলে ভুল হয়, ঘর-কন্নায় রূপকথা যেন জড়ানো ছিল ; এমন গৃহিণী ছিলেন না। যিনি রূপকথা জানিতেন নাগ-না জানিলে যেন লজার কথা ছিল । কিন্তু এত শীঘ্ৰ সেই সোণা-রূপার কাটী কে নিল, আজি মনে হয়, আর ঘরের শিশু তেমন করিয়া জাগে না, তেমন করিয়া ঘুম عمر

  • এটি শ্ৰীযুক্ত রবীন্দ্ৰনাথ ঠাকুর মহাশয়ের কথা ; আমি শুনিয়া" ছিলাম, ‘জো’ক্সা ভিণ ফুটেছে’, কোন একজন শ্ৰদ্ধেয় ব্যক্তির নিকট শুনিয়াছি, “জ্যোৎস্না ফিনিক ফুটুছে’। কোথাও কোথাও শুনিয়াছি, ‘জোছনা ফটিক ফুটুছে । :്

Σ8 -Η δώ श्रiछ माँ ! s Ouma comm -C-C-C-C-C-C-C, Sc ܚܠ