হইল; কিন্তু আমি সর্ব্বদাই আমার পরম প্রিয় শিক্ষয়িত্রীর চিঠি পাইতাম। তাঁহার যে চিঠি পাঠে আমি যীশুকে পরিপূর্ণ ভাবে গ্রহণ করিতে সংকল্প করিয়াছিলাম, তাহা হইতে একটু উদ্ধৃত করিয়া দিতেছি:
সেপ্টেম্বর, ১৮৭৬
প্রিয় এইচ.—তুমি ঈশ্বরের সেবা করিবে কি সাংসারিক জীবের ন্যায় বৈষয়িক পথে চলিবে, ইহা নির্দ্ধারণ করিবার যথেষ্ট সময় সমুপস্থিত হইয়াছে বলিয়া কি তুমি মনে কর না? এই কথা স্মরণ রাখিও যে, পার্থিব সুখ আপাত মধুর হইলেও, তাহাতে আত্মার ক্ষুধা মিটে না, এবং দুঃখ বিপদে তাহা কোন কাজে লাগে না।
তাহার পর, তুমি চিন্তা করিয়া দেখ যে, ঈশ্বর এবং যীশু তোমার কি করিতে পারেন। এই কথাও স্মরণ কর যে, তিনি কি ভাবে তোমার পাপের শাস্তি ভোগ করিয়া, দেহত্যাগপূর্ব্বক পুনরুত্থিত হইয়া ঈশ্বরের আশ্রয় লাভ করিয়াছেন, এবং পাপীর উদ্ধারের সাহায্য করিতেছেন; এবং তুমি যদি তাঁহার শরণাপন্ন হও, তাঁহাতে নির্ভর কর, এবং তাঁহাকে তোমার মুক্তিদাতা বলিয়া বিশ্বাস কর, তাহা হইলেই তিনি তোমাকে গ্রহণ করিতে প্রস্তুত আছেন, ও তজ্জন্য অপেক্ষা করিতেছেন।
তাঁহার শরণাপন্ন হইয়া দেখ, তিনি কি মধুময়। আমাদের মতন তিনিও নানা প্রলোভনে প্রলুব্ধ হইয়াছিলেন