বলিয়াই, এমন দয়ালু ও বিশ্বস্ত প্রধান পুরোহিতরূপে মানবীয় দুর্ব্বলতায় ব্যথিত হইয়া পড়েন।
এখনই স্থির কর, তুমি কাহার সেবা করিবে; কারণ, বর্ত্তমান মুহূর্ত্তই একমাত্র উপযুক্ত সময়, ইহাই মুক্তির শুভ মুহূর্ত্ত। এই বিষয়টি মীমাংসা করিতে বিলম্ব করিও না; কারণ, তুমি জান না যে, এক দিনে অথবা এক ঘণ্টায় কি ঘটিতে পারে, এবং যীশুকে স্বীকার না করা পর্য্যন্ত তুমি প্রকৃত সুখ শান্তি লাভ করিতে পার না।
তাঁহারই সম্পাদিত কাজে সরল বিশ্বাস স্থাপন করিয়া, তুমি যেমন আছ ঠিক্ সেই অবস্থাতেই তাঁহার নিকট এস।
তোমাদের সকলের জন্য ঈশ্বর-চরণে আমার এই প্রার্থনা, যেন তোমরা সকলে পরিত্রাণ লাভ করিতে পার।
তোমার স্নেহের
এল্ এম্ ম্যাক্ ই
এই চিঠিখানা পাঠ করিয়া আমি স্পষ্টই বুঝিতে পারিলাম, ইহা আমার প্রেমময় মুক্তিদাতার প্রেরিত সুসমাচার।
যীশু ব্যাকুল হইয়। আমার মুক্তির জন্য অপেক্ষা করিতেছেন, এই বিশ্বাসে তাঁহার উপর নির্ভর করা ভিন্ন আমার আর কিছু করণীয় ছিল না।
অল্পদিন পরে আমি নিম্নলিখিত চিঠিখানা পাইয়াছিলাম: প্রিয় এইচ,—রবিবার দিন আমাদের উপদেশের বিষয় ছিল ‘তুমি কতকাল কিংকর্ত্তব্যবিমূঢ় হইয়া দাঁড়াইয়া থাকিবে,