পরীক্ষার অনলে বিশুদ্ধ হইয়া স্বর্ণের মতন উজ্জ্বল হইয়াছিলেন।
১৮৮৯ সনের ৭ই ফেব্রুয়ারী হঠাৎ আমার বাম হাতে সেই ব্যাধির সূত্রপাত হইয়া, তাহা খুব শীঘ্রই বিস্তৃত হইয়া পড়িল, এবং ভয়ানক যন্ত্রণ। হইল। পচন আরম্ভ হওয়াতে, ব্যারাম প্রকাশের ৭ দিন পরেই, অর্থাৎ ১৪ই ফেব্রুয়ারী, বাধ্য হইয়া আমার হাতখানা কাটাইয়া ফেলিতে হইল। ডাঃ ম্যাক্ অনেক মাস পর্যন্ত প্রতিদিনই আমাকে দেখিতে আসিতেন। আমার মতন পঙ্গুর—যাহার হাত নাই, শুধু একখানা পা আছে—পক্ষে ডাঃ ম্যাক্-এর আগমন কত আনন্দের কারণ ছিল! আমার মনে হইত, যেন অবসন্ন হইয়া পড়িব, এবং সময় সময় যন্ত্রণা সম্পূর্ণ অসহনীয় বোধ হইত। আমি একাকী তাহা বহন করিতে পারিতাম না, কিন্তু আমি কখনও একাকী নহি। চিরন্তন পরমেশ্বর আমার আশ্রয়; তাঁহার নিত্য হস্ত আমাকে ধারণ করিয়া রাখিয়াছে Deut. xxxiii 27। সকালে, দুপুরে, সন্ধ্যায় সকল সময় তিনি আমার অবলম্বন।
জুন মাসে, একদিন আমি আমার বাইব্ল্ হইতে কিছু পাঠ করিবার চেষ্টা করিতেছিলাম, এমন সময় মিঃ এইচ্ আসিয়া উপস্থিত হইলেন, এবং বলিলেন, আমার চোখের পক্ষে এই বইখানার অক্ষরগুলি অত্যন্ত ছোট। সন্ধ্যার সময় আমার নামে একটা পার্শেল আসিল। তাহা