সেবা করিতে হইবে; সেই জন্য মরণের পরিবর্ত্তে আমি প্রার্থনা করিতে লাগিলাম, যীশু যেন আমাকে হৃদয়ের সহিত এই কথাই বলিতে শিখান, ‘তোমার ইচ্ছাই পূর্ণ হউক, হে পিতঃ, তাহা যেমনই হউক না কেন’।
১৮৯১ সনের সেপ্টেম্বর মাসে আমার একজন অতি প্রিয় বন্ধুর হঠাৎ মৃত্যু হইয়াছিল। সেই মহিলা বন্ধুটি মৃত্যুর পূর্ব্বরাত্রিতে তাঁহার অসুখের কথা জানাইয়া আমাকে একখানা চিঠি লিখিয়াছিলেন। চিঠিখানি আমার নিকট পৌঁছিবার পূর্ব্বেই তিনি যীশুর সঙ্গে গিয়া মিলিত হইয়াছিলেন। চিঠিখানা লিখিবার কয়েক ঘণ্টা পরেই তাঁহার মৃত্যু হইয়াছিল। তাঁহার শোক আমার পক্ষে দুর্ব্বহ। তাঁহাকে কেন ডাকিয়া নেওয়া হইল, এবং আমি পড়িয়া রহিলাম, ইহা আমার পক্ষে একটি কঠিন সমস্যা হইয়া রহিয়াছে।
ডাক্তার ম্যাক্ খুব বিনয়ী ও সদাশয় লোক ছিলেন; তাঁহার সঙ্গে সেই মহিলাটির পরিচয় ছিল। তিনি আমাকে তাঁহার গুণাবলী আলোচনা করিতে উৎসাহিত করিয়াছিলেন। এরূপ হয়ত অল্প লোকেই করিত। ইহাতে আমার পক্ষে তাঁহার শোক বহন করা অপেক্ষাকৃত সহজ হইয়াছিল। এই বিষয়ে যীশু তাঁহার প্রতিশ্রুতি অনুসারে আমাকে সাহায্য করিয়াছিলেন। আমি তখনও ভাবিতে পারি নাই যে, আমার আর একজন বন্ধুকে হারাইবার