কিছু বলি নাই।) আমার সমূহ বিপদ্ সমুপস্থিত; ডাক্তার ‘আর্’এখানে নাই, এবং অন্য চিকৎসককে ডাকিবার মতনও আমার সঙ্গতি নাই। ঈশ্বরালোক লাভ করিবার জন্য আমি প্রার্থনা করিয়াছিলাম। আমার মনে হইতেছিল, হোমিওপ্যাথিক হাসপাতালে খবর লইয়া জানিব যে, সেখানে ভর্তি হওয়া আমার পক্ষে সম্ভবপর হইবে কি না।
যখন আমি কার্য্যসিদ্ধির জন্য এইরূপ প্রণালীর কথা ভাবিতেছিলাম, তখন ঈশ্বর সত্যই আমার প্রার্থনা পূর্ণ করিয়া আমাকে পরিচালিত করিতেছিলেন! আমাকে দেখিবার জন্য, সেই দিন সন্ধ্যাকালে, আমার প্রিয় বন্ধু ‘এইচ্’ আসিয়াছিলেন। আমার রোগের এই বিশেষ উপসর্গের কথা তিনি জানিতেন না। আমি তাঁহাকে আমার সকল কথা বলিলাম। তিনি হাসপাতাল সম্বন্ধে আমার জ্ঞাতব্য সকল বিষয়ের সংবাদ অবিলম্বেই লইবেন, বলিলেন। পরদিন তিনি আমাকে চিঠি লিখিয়া জানাইলেন, যে-কোন দিন আমাকে হাসপাতালে ভর্ত্তি করা হইবে।
মিঃ ‘এইচ’ তাঁহার প্রিয় বন্ধু ডাক্তার ‘সি’কে আমার কথা বলাতে তিনি খুব আগ্রহান্বিত হইয়া আমাকে দেখিবার প্রস্তাব করিলেন। ডাক্তার ‘সি’ তাঁহার একজন ডাক্তার বন্ধু ‘এইচ’কে সঙ্গে লইয়া আমাকে একদিন