দেখিতে আসিয়াছিলেন। তাঁহারা উভয়েই আমার অপরিচিত ছিলেন। আমাকে পরীক্ষা করিয়া তাঁহারা আমার চিকিৎসার ভার লইলেন। তাঁহারা আমার বাহুখানা রক্ষা করা যাইতে পারিবে বলিয়া কোন আশা দিলেন না। কিন্তু সপ্তাহ দুই এই ভাবে চলিতে পারে বলিলেন। ডাক্তার ‘এইচ্’ প্রতিদিন, এবং ডাক্তার ‘সি’ মাঝে মাঝে, আমাকে দেখিতে আসিতেন। ক্রমেই আমার বাহুর অবস্থা খারাপ হইতে লাগিল, এবং ২রা জুলাই তাঁহারা বলিলেন, আমার পক্ষে হাসপাতালে যাওয়াই ভাল; কারণ, যত শীঘ্র সম্ভব অস্ত্রোপচার করিতেই হইবে। হাসপাতালে যাইবার নামে আমি অত্যন্ত ভীত হইলেও, বাহ্যিক প্রসন্নতা রক্ষা করিতে চেষ্টা করিলাম, যেন আমার আত্মীয় বন্ধুরা উদ্বিগ্ন না হন।
৩রা জুলাই অপরাহ্ণ ৪ ঘটিকার সময় আমাকে হোমিওপ্যাথিক হাসপাতালে ভর্তি করা হইয়াছিল। ইহার অল্পক্ষণ পরেই মিঃ ‘এইচ’ আমাকে দেখিতে আসিয়াছিলেন। ইহা তাহার পক্ষে খুব সদ্বিবেচনার কাজ হইয়াছিল; কারণ, তিনি জানিতেন, আমি হাসপাতালে আসার নামে কত শঙ্কিত ছিলাম। সায়ংকালে আমার বাহু পরীক্ষার জন্য দুইজন ডাক্তার আমার শয্যাপার্শ্বে উপস্থিত হইয়াছিলেন। তাঁহারা উভয়েই আমার অপরিচিত। যে-মুহূর্ত্তে আমি তাঁহাদের একজনকে দেখিলাম, তখনই মনে হইল,