ইহাও জানাইয়া দেয় যে, বহু বৎসরের প্রতীক্ষার পর কি ভাবে প্রার্থনার উত্তর আসে। ১৮৯৬ সনে ডাক্তার ‘এইচ’ও মাঝে মাঝে আমাকে দেখিতে আসিতেন।
যদিও আমি অনেক কষ্ট পাইয়াছি, বহু আপদ্ বিপদের ভারী বোঝা বহন করিয়াছি, এবং নিরাশায় অনেক বার মুহ্যমান হইয়াছি, তবুও কিন্তু আমার প্রেমময় রক্ষাকর্ত্তা এক মুহূর্ত্তের জন্যও আমাকে পরিত্যাগ করেন নাই। কেন যে তিনি আমাকে ঝটিকাচ্ছন্ন বন্ধুর পথে পরিচালিত করিয়া আনিয়াছেন, তাহার মর্ম্ম উপলব্ধি করা সুকঠিন হইলেও, আমি এই বিষয়ে সংশয়শূন্য যে, তিনি প্রেমেই আমাকে সর্ব্বদা পরিচালিত করিয়াছেন।
পিতা আমাকে ভালবাসেন। তাঁহার দয়াতেই ডাক্তার ও বন্ধুদের চিত্তে আমার প্রতি খুব ভাল ও সদয় ব্যবহার এবং নানা ভাবে আমাকে সাহায্য করিবার ইচ্ছা জাগ্রত হুইয়াছে। আমার দুঃখ নিবৃত্তি এবং তাহার গুরু ভার লঘু করিবার জন্য যে-সকল উপায় অবলম্বন করা হয়, তাহার উপরও পিতার শুভ আশীর্ব্বাদ বর্ত্তমান।
আমি বলিতে পারি, “নিশ্চয়ই দয়া ও মঙ্গলভাব আমার জীবনের নিত্য সঙ্গী হইয়া রহিয়াছে।”
তিনি আমাকে সঙ্গে লইয়া চলিয়াছেন
‘শ্যামল গোচারণ-ভূমিতে?’ না, সর্ব্বদা নহে; কিন্তু যিনি আমাকে সর্ব্বাপেক্ষা ভাল করিয়া জানেন, তিনি তাঁহার৪