সেই স্থানেই অবস্থিত আছেন, এবং ইহা অপেক্ষা বড় কথা এই যে, আমার সকল গন্তব্যপথেই তিনি আমাকে দুর্ব্বল ভঙ্গপ্রবণ যষ্টির উপর নির্ভর করিতে দেন না, পরন্তু নিজের হাত বাড়াইয়া দেন, যাহা আমার প্রয়োজনের পক্ষে যথেষ্ট। সুতরাং, যেখানেই তিনি লইয়া যাউন, আমি নিশ্চিন্তমনে সেখানে যাইতে পারি। এবং অতঃপর স্বর্গে আমি জানিতে পারিব, কেন তিনি তাঁহার পূর্ণ জ্ঞানে আমাকে এই ভাবে পরিচালিত করিয়াছেন।
(ক্ষুদ্র পত্রী হইতে সংগৃহীত)
ইহা বাস্তবিকই বিস্ময়কর যে, ঈশ্বর কেমন সযত্নে ও সপ্রেমে আমাকে পথ দেখাইয়া লইয়া চলিয়াছেন।
সর্ব্বাপেক্ষা দুর্ব্বিষহ পরীক্ষাসকলের মধ্যে আমার দক্ষিণ বাহুর কনুইখানা হইতে বঞ্চিত হওয়া অন্যতম; কারণ, ইহার সাহায্যে আমি সহজে লিখিতে শিক্ষা করিয়াছিলাম, এবং স্বয়ংসাধিত বীণাও (auto harp) একটু বাজাইতে পারিতাম। আমার নিজের চিত্ত-বিনোদনের জন্য ছিদ্রীকৃত মোটা কাগজ হইতে বুক-মার্ক কাটিতে এবং কাঁটা কিংবা চামচের সাহায্যে খাদ্য গ্রহণ করিতে, পারিতাম। কিন্তু, কনুইখানা না থাকিলে, কিছু করা অসম্ভব বলিয়াই মনে হইয়াছিল।
সে যাহা হউক, হাসপাতালে থাকাকালীন আমি এই সঙ্কল্প করিয়াছিলাম যে, যদি এই যাত্রা বাঁচিয়। উঠি, তাহা হইলে, আর কিছু না হইলেও, লিখিতে যথাসাধ্য চেষ্টা করিব,